চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার উত্তর পদুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে তীব্র শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম। জরাজীর্ণ কয়েকটি কক্ষে গাদাগাদি করে পড়াশোনা করছে সাত শতাধিক শিক্ষার্থী।
এমনকি জায়গা সংকুলান না হওয়ায় অনেক শিক্ষার্থীকে খোলা আকাশের নিচে ক্লাস করতে হচ্ছে। প্রতিষ্ঠার ৩০ বছর পেরিয়ে গেলেও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও ভবন গড়ে না ওঠায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের এই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
১৯৯৬ সালে পদুয়া ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি ২০০৫ সালে এমপিওভুক্ত হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টির ষষ্ঠ শ্রেণিতেই শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১২০ জন। কিন্তু ছোট কক্ষের কারণে একসঙ্গে সবার বসার সুযোগ না থাকায় কিছু অংশকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে খোলা আকাশের নিচে তীব্র রোদ ও গরমের মধ্যে পাঠ নিতে হচ্ছে। অন্যদিকে, কক্ষগুলোর মাঝখানে স্থায়ী দেয়াল না থেকে কাঠের বোর্ড ব্যবহার করায় এক ক্লাসের শব্দ অন্য ক্লাসে চলে যায়, যা শিক্ষার্থীদের মনোযোগ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত করছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রফিক উদ্দীন জানান, ১৭টি শিক্ষক পদের বিপরীতে বর্তমানে ১২ জন শিক্ষক ও ৫ জন কর্মচারী সীমিত অবকাঠামোর মধ্যেই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য আমানুল হক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. ফেরদৌস কোমলমতি শিক্ষার্থীদের এই দুর্ভোগ নিরসনে সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এদিকে লোহাগাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ ও সমস্যা সমাধানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, যা অনুমোদিত হলে বিদ্যমান সংকট দূর হবে।