যশোরের চৌগাছা উপজেলার হাকিমপুর গ্রামের সফল কৃষি উদ্যোক্তা মো. আমির হামজা মিলনের কমলাবাগান ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন সম্ভাবনা। মাত্র ৩০ কাঠা জমিতে কমলা চাষে তাঁর খরচ হয়েছে প্রায় ৭০ হাজার টাকা। আর এই বাগান থেকে চলতি মৌসুমে প্রায় ১৮ লাখ টাকার কমলা বিক্রির প্রত্যাশা করছেন তিনি। তাঁর হিসাব অনুযায়ী, এ বছর বাগান থেকে প্রায় ২৮০ মণ কমলা উৎপাদিত হতে পারে।

শখের বশে ভারত থেকে ম্যান্ডারিন জাতের ৩০টি কমলার চারা সংগ্রহ করে পেয়ারাবাগানে রোপণের মধ্য দিয়ে তাঁর এই যাত্রা শুরু হয়। সেই ছোট উদ্যোগ আজ তাঁকে একজন সফল কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিত করেছে। বর্তমানে তিনি প্রায় ৭ একর জমিতে কমলা চাষ করছেন। কমলা বিক্রির পাশাপাশি চারা বিক্রি করেও কয়েক লাখ টাকা আয় করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

মিলনের বাগানে কমলার ভালো ফলন দেখে দূরদূরান্ত থেকে নতুন উদ্যোক্তারা আসছেন। তাঁরা বাগান ঘুরে দেখছেন, চাষাবাদের পদ্ধতি সম্পর্কে জানছেন এবং তাঁর কাছ থেকে চারা কিনে নিজেদের জমিতে কমলা চাষের উদ্যোগ নিচ্ছেন।

চৌগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুসাব্বির হুসাইন বলেন, “আমরা সবসময় তাঁর পাশে আছি এবং পরামর্শ দিয়ে থাকি। গত বছরের তুলনায় এ বছর ফলের পরিমাণ বেশি।”

মাত্র ৭০ হাজার টাকা খরচে ১৮ লাখ টাকার কমলা বিক্রির এই প্রত্যাশা স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। তবে এখানে উল্লেখিত ১৮ লাখ টাকা সম্ভাব্য মোট বিক্রয়মূল্য; অন্যান্য উৎপাদন খরচ বাদ দেওয়ার পর প্রকৃত লাভের পরিমাণ নির্ধারিত হবে।