ঠাকুরগাঁও শহরের পুরোনো বাসস্ট্যান্ডের গোলচত্বরে নির্বাচনী ব্যানার, ফেস্টুন ও বড় বিলবোর্ডের আড়ালে ঢেকে গেছে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের স্মৃতি রক্ষার্থে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্মিত 'জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ'।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ গ্রহণের পর শূন্য হওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনের আগামী ২৯ অক্টোবরের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। প্রতীক বরাদ্দের পর বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকেরা মোড়ের চারপাশে ব্যানার ও ওপরের অংশে বিলবোর্ড টাঙিয়ে দেওয়ায় স্তম্ভটির প্রায় পুরো অংশই আড়াল হয়ে গেছে।
ঐতিহাসিক স্মৃতিস্তম্ভটি ঢেকে ফেলা নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা। তাদের মতে, শহীদদের আত্মত্যাগের স্মারক এভাবে আড়াল করা দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি ও জামায়াতের প্রচার সেল একে কর্মীদের অসচেতনতা হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিপক্ষের ব্যানার সরানোর শর্ত ও আলোচনার কথা জানিয়েছে। তবে ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক জানিয়েছেন, স্মৃতিস্তম্ভের আশপাশ থেকে ব্যানার-বিলবোর্ড দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।