ন্যাটোর ২০২৬ সালের দুই দিনব্যাপী শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার তাকে বহনকারী বিমানটি আঙ্কারার এসেনবোগা বিমানবন্দরে অবতরণ করলে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান তাকে ব্যক্তিগতভাবে অভ্যর্থনা জানান।
বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানানোর পর দুই নেতা প্রেসিডেন্ট কমপ্লেক্সে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনায় অংশ নেন। পরবর্তীতে দুই নেতার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় রুদ্ধদ্বার বৈঠক এবং এরপর প্রতিনিধি পর্যায়ের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু উঠে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। বৈঠক শেষে দুই রাষ্ট্রপ্রধান যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হবেন।
এবারের ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে জোটভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের পাশাপাশি অংশীদার দেশগুলোর শীর্ষ নেতারাও অংশ নিচ্ছেন। সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব পাবে, গত বছর হেগ সম্মেলনে নেওয়া প্রতিরক্ষা ব্যয় বৃদ্ধির অঙ্গীকার বাস্তবায়ন। ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা অব্যাহত রাখা। জোটের সদস্য দেশগুলোর প্রতিরক্ষা শিল্প উৎপাদন সম্প্রসারণ।
সম্মেলনের প্রাক্কালে মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা মুস্তাফা কামাল আতাতুর্কের সমাধিসৌধ ‘আনিতকাবির’ পরিদর্শন করেন। মার্কিন প্রতিনিধিদলকে সঙ্গে নিয়ে তিনি সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং নীরবতা পালন করেন।
বৈশ্বিক নিরাপত্তার এই গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে বিশ্বের নজর এখন আঙ্কারার দিকে। বিশেষ করে ট্রাম্প ও এরদোয়ানের মধ্যকার এই বৈঠক ন্যাটোর বর্তমান সংকটাপন্ন সময়ে বড় কোনো কৌশলগত পরিবর্তন আনে কি না, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে আন্তর্জাতিক মহল।

মন্তব্য করুন
মন্তব্য সমূহ
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!