ইসরায়েলের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ক্ষমতার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছেন বিরোধী ‘চেঞ্জ ব্লকের’ নেতা গাদি আইজেনকোত। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সাবেক এই প্রধানকে অনেকেই সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখছেন এবং তাদের ধারণা, তিনি নেতানিয়াহুর চেয়ে ভালো বিকল্প হবেন।

তবে ইনভেস্টিগেটিভ সাংবাদিক, লেখক এবং তথ্যচিত্র নির্মাতা অ্যান্থনি লোয়েনস্টেইন সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে বলেছেন, তাদের দুজনের মতাদর্শ ও চরিত্র মূলত এক। তারা দুজনই ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ গঠনের পক্ষে, যার মধ্যে পুরো ফিলিস্তিন, লেবানন, জর্ডান এবং সিরিয়া, সৌদি আরব ও মিসরের একাংশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এই সাংবাদিক বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার সময় নেতানিয়াহু আরবদের প্রতি প্রকাশ্য বর্ণবাদী মন্তব্য করেছেন এবং এক্ষেত্রে আইজেনকোতও খুব বেশি ভিন্ন নন। তিনিও আরবদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করেন।

তবে পশ্চিমতীর, গাজা, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক পরিচালনা করার ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে কিছু কৌশলগত মতপার্থক্য রয়েছে বলে জানান অ্যান্থনি লোয়েনস্টেইন।

আলজাজিরাকে তিনি আরও বলেন, নেতানিয়াহু ও বেন গিভিরের গত চার বছরের বিপর্যয় এবং এই অঞ্চলে তারা যা করেছে তিনি তা উপেক্ষা করছেন না, কিন্তু বিকল্প কোনো সরকারের নেতৃত্বেও খুব বেশি পরিবর্তন আসবে না। হয়তো নতুন সরকারের সময়ে পশ্চিমতীরে সামান্য কিছু পরিবর্তন আসতে পারে এবং সবচেয়ে সহিংস কিছু বসস্থাপনকারীকে (সেটেলার) গ্রেপ্তার করা হতে পারে। তবে খুব মৌলিক বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে তাদের চিন্তাভাবনা প্রায় এক এবং এই ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ ধারণাকে তিনি অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে অভিহিত করেছেন।

সূত্র: আলজাজিরা