নাটোরের বড়াইগ্রামে প্রেমের সুবাদে শারীরিক সম্পর্ক, বিয়ের মাত্র ১১ দিনের মাথায় সন্তান প্রসব, নবজাতককে বিক্রি এবং গোপনে স্ত্রীকে তালাক দিয়ে স্বামীর বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় অভিযুক্তের মামাশ্বশুর মিজানুর রহমানকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। গ্রেপ্তার মিজানুর রহমান গোপালপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে এবং কচুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দৌলতপুর গ্রামের দুলাল ভূঁইয়ার ছেলে ইমন ভূঁইয়া (২৩) এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করে। এতে ওই তরুণী গর্ভবতী হয়ে পড়লে সামাজিক চাপে স্বজনরা পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে দেন। তবে বিয়ের মাত্র ১১ দিনের মাথায় গৃহবধূ সন্তান প্রসব করেন।
সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরপরই ইমন ভূঁইয়া ও তার পরিবার নবজাতকটিকে মোটা অঙ্কের বিনিময়ে বিক্রি করে দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর ইমন স্ত্রীকে গোপনে তালাক দিয়ে বিদেশে পালিয়ে যায়। স্বামী ও সন্তান হারিয়ে প্রতারিত গৃহবধূ বাদী হয়ে বড়াইগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করেন।
বড়াইগ্রাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত মূল অভিযুক্তের মামাশ্বশুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বিক্রি করা নবজাতকটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।