২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে প্রতিটি পজিশনে সুপরিচিত নাম আর বড় টুর্নামেন্টের অভিজ্ঞতা নিয়ে বেশ ভারসাম্যপূর্ণ দল হিসেবে মাঠে নামছে পর্তুগাল। শক্তিশালী রক্ষণভাগ, সৃজনশীল মিডফিল্ড এবং শারীরিক শক্তি ও অসাধারণ কৌশলের আক্রমণভাগ নিয়ে গড়া ‘সেলেসাও দাস কিনাস’দের সামনে এবার প্রথমবারের মতো কাঙ্ক্ষিত বিশ্বকাপ মুকুট জেতার সবটুকু যোগ্যতা রয়েছে।

স্পটলাইটে থাকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো তাঁর ষষ্ঠ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আরও একটি ঐতিহাসিক কীর্তি গড়তে যাচ্ছেন। তবে পর্তুগালের ভাগ্য নির্ধারণে কোচ রবার্তো মার্তিনেজ তাঁর দলের এই সবচেয়ে বড় তারকাকে কীভাবে সামলাচ্ছেন, সেটাই হবে দেখার বিষয়।

মার্তিনেজ যদি মাঠের বাইরের নাটকীয় পরিস্থিতি এড়িয়ে রোনালদোকে দলের জয়ের ধারার সাথে মানিয়ে নিতে পারেন, তবে প্রতিভায় ঠাসা পর্তুগাল দলের ফাইনাল পর্যন্ত না পৌঁছানোর কোনো কারণ নেই। মার্তিনেজ ২০২৫ সালে পর্তুগালকে উয়েফা নেশনস লিগ শিরোপা এনে দিয়ে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে ইতোমধ্যে তাঁর প্রথম ট্রফি জিতেছেন।

১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান অর্জন। কাতার ২০২২ (কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে মরক্কোর কাছে হেরে বিদায়)। মোট ৯ বার। ম্যাচ খেলেছে ৩৫টি, জয় ১৭, ড্র ৬, হার ১২। গোল দিয়েছে ৬১টি, খেয়েছে ৪১টি। ১৯৬৬ বিশ্বকাপে ৯ গোল করা কিংবদন্তি ইউসেবিও। ২২ ম্যাচ নিয়ে শীর্ষে আছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ২০১০ বিশ্বকাপে উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে ৭-০ গোলের জয়। বর্তমান ফিফা র‌্যাঙ্কিং ৫

তারিখপ্রতিপক্ষভেন্যু
১৭ জুনপর্তুগাল বনাম কঙ্গো ডিআরহিউস্টন স্টেডিয়াম
২৩ জুনপর্তুগাল বনাম উজবেকিস্তানহিউস্টন স্টেডিয়াম
২৭ জুনকলম্বিয়া বনাম পর্তুগালমায়ামি স্টেডিয়াম
দিয়োগো কোস্তা, হোসে সা, রুই সিলভা, রিকার্দো ভেলহোতোমাস আরাউজো, জোয়াও ক্যানসেলো, দিয়োগো দালোত, রুবেন দিয়াস, গনসালো ইনাসিও, নুনো মেন্ডেস, মাতেউস নুনেস, নেলসন সেমেদো, রেনাতো ভেইগা। স্যামুয়েল কোস্তা, ব্রুনো ফার্নান্দেস, জোয়াও নেভেস, রুবেন নেভেস, বার্নার্দো সিলভা, ভিতিনিয়া। ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও, জোয়াও ফেলিক্স, গনসালো গেদেস, রাফায়েল লেও, পেদ্রো নেটো, গনসালো রামোস, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, ফ্রান্সিসকো ত্রিনকাও।