পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

বাণীতে তিনি বলেন, বুধবার (২৬ আগস্ট) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। এই পবিত্র দিনে বিশ্বজগতে এক সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানবের আবির্ভাব হয়। এই শিশুর শুভাগমনে সারা দুনিয়ায় রহমতের অবারিত দ্বার উন্মোচিত হয়। সততা, নম্রতা, উদারতা ও ন্যায়বিচারের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং নবীজির প্রদর্শিত পথে চলার জন্য এই দিনটি এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

রিজভী জানান, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে তিনি দেশবাসীসহ মুসলিম উম্মাহর অসীম শান্তি ও অফুরন্ত কল্যাণ কামনা করছেন।

বাণীতে তিনি আরও বলেন, বিশ্বমানবের কাছে এক অসাধারণ আলোকবর্তিকা, শান্তি, সংগ্রাম, সম্প্রীতি ও মূল্যবোধের আধার এবং চরম সত্যবাদী ও পরম বিশ্বস্ত হযরত মুহাম্মদ (সা.)। তাঁর কালজয়ী মূল্যবোধ, মানবতা, সহমর্মিতা, উদারতা ও মানুষের প্রতি সহানুভূতি মানবজাতির জন্য চিরকালীন শিক্ষা হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, কৈশোরকাল থেকেই মহানবী (সা.) মিথ্যার বিরুদ্ধে এক অকুতোভয় যোদ্ধা ছিলেন। তিনি কখনো আমানতের খেয়ানত করেননি এবং অন্যের উপকার করাকে পরম কর্তব্য মনে করতেন। বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)।

রিজভী বলেন, পরম সত্যের সন্ধানে নিজেকে নিয়োজিত রেখে মহানবী (সা.) ৪০ বছর বয়সে নবুয়ত লাভ করেন। কঠোর পরিশ্রম ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে সীমাহীন নির্যাতন সহ্য করেও তিনি তাওহিদের বাণী সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেন।

তিনি বলেন, আল্লাহ তায়ালা মহানবী (সা.)-এর ওপর পবিত্র মহাগ্রন্থ আল-কুরআন অবতীর্ণ করেন। এটি মানবজাতির পথপ্রদর্শক হিসেবে ইহলৌকিক ও পরলৌকিক মুক্তির যাবতীয় নির্দেশনা দেয় এবং তা অনুসরণের মাধ্যমে মানুষকে পরিপূর্ণ ও মর্যাদাশীল করে তোলে।

রিজভী আরও বলেন, মহানবী (সা.)-এর জীবন ও কর্ম অনুসরণের মাধ্যমে মুসলমানরা শৃঙ্খলিত মানুষের মুক্তি ও মানবতা প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি নিজেদের জীবনকে সুন্দর ও কল্যাণের পথে পরিচালিত করার অনুপ্রেরণা পায়।

বাণীর শেষে তিনি শেষ নবী, সাইয়্যিদুল মুরসালিন হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি গভীর সালাম ও শ্রদ্ধা জানান।