পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে যেখানে উন্নয়ন হবে প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থানে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং মানব কল্যাণকে একই পথের সহযাত্রী হিসেবে চলার আহ্বান জানান তিনি।
শুক্রবার (১০ জুলাই) বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে ব্র্যাক ব্যাংক ও তরুপল্লব আয়োজিত 'দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক-২০২৫' প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নির্দেশনায় সরকার ‘ন্যাশনাল গ্রিন মিশন’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পরিবেশ সংরক্ষণে একটি বড় সামাজিক আন্দোলনে রূপ নেবে। তিনি প্রকৃতি সংরক্ষণকে এখন আর বিকল্প নয়, বরং জাতীয় দায়িত্ব হিসেবে অভিহিত করেন।
পদকপ্রাপ্তদের ‘সবুজ ভবিষ্যতের নির্মাতা’ ও ‘নীরব পরিবেশ যোদ্ধা’ আখ্যায়িত করে মন্ত্রী বলেন, তাদের এই নিষ্ঠা ও উদ্যোগ সমাজ জুড়ে পরিবেশ রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। অনুষ্ঠানে ছয়টি ক্যাটাগরিতে বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদান করা হয়:
নিসর্গ পুরস্কার: অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুজ্জামান (জীববৈচিত্র্য গবেষণা)। জীববৈচিত্র্য পুরস্কার: ‘প্রাণ বৈচিত্র্য খামার’ (টেকসই কৃষি চর্চা)।বৃক্ষসখা সম্মাননা: মো. বাদশা মিয়া (তৃণমূল পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ)। সবুজ সারথী সম্মাননা: উম্মে কুলসুম পপি (ডিজিটাল মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতা)। নবীন নিসর্গী সম্মাননা: সুমায়া মারিয়ম (প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভিদ গণনা)। পরিবেশ কীর্তিমান সম্মাননা: অধ্যাপক ড. কাজী আহসান হাবিব (সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ)।
অনুষ্ঠানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেকসহ ব্র্যাক ব্যাংক ও তরুপল্লবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং দেশের বিশিষ্ট পরিবেশবিদ ও গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।