জেলা প্রতিনিধি, ফেনী: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী অংশে ক্রমাগত বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি। চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে এই অংশে ৮৭টি দুর্ঘটনায় ৬৯ জন নিহত ও ৯৫ জন আহত হয়েছেন, যা গত দুই বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি (২০২৫ সালে ৬৬ জন ও ২০২৪ সালে ৪৬ জন নিহত হন)। এসব ঘটনায় ৬২টি মামলা হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই চালকরা অধরা ও মামলায় ‘অজ্ঞাত’ আসামি রয়ে যাচ্ছেন।
দুর্ঘটনায় হতাহতদের স্বজনদের অভিযোগ, দুর্ঘটনা প্রতিরোধে পুলিশ কার্যকর নজরদারি ও ডোপ টেস্ট চালুর চেয়ে শুধু মামলা করা এবং গাড়ি জব্দের মধ্যেই নিজেদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখছে। গাড়ির গতি শনাক্তকারী ‘স্পিড গান’ ও ডোপ টেস্ট সরঞ্জাম থাকলেও সেগুলো বর্তমানে আর ব্যবহার করা হচ্ছে না।
হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক মো. নুরুল আফছার জানান, মহাসড়কে এআই ক্যামেরা থাকায় স্পিড গানের প্রয়োজনীয়তা কম এবং চালকরা পালানোর কারণে মামলায় অনেক সময় আসামি ‘অজ্ঞাত’ থাকে। তবে দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে বিআরটিএ-র ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি প্রদান ও বডি ক্যামেরা ব্যবহারের কথা জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, নিসচার (নিরাপদ সড়ক চাই) মতে—চালকদের দক্ষতার অভাব, ফিটনেসবিহীন গাড়ি এবং বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালনার কারণে প্রতিনিয়ত এমন প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে।