জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার একটি ‘ছায়া বাজেট’ প্রস্তাব করেছে। আজ মঙ্গলবার (০৯ জুন) রাজধানীর মগবাজারের আল ফালাহ মিলনায়তনে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এই বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হয়। দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কাঠামো সংস্কার, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনাকে সামনে রেখে দলটি এই বিকল্প বাজেট প্রণয়ন করেছে। সংবাদ সম্মেলনে বাজেটের বিভিন্ন খাতওয়ারী বরাদ্দ, আয়ের উৎস এবং রূপরেখা তুলে ধরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম খান মিলন এই ছায়া বাজেটটি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করেন। যেসব খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এই প্রস্তাবিত ছায়া বাজেটে প্রধান তিনটি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। খাতগুলো হলো— জনপ্রশাসন ও সেবা খাত, অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশোধ, শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাত। দলটির অর্থনৈতিক উইংয়ের বিশ্লেষকরা জানান, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে উৎপাদনমুখী খাত, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের আধুনিকায়নে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে এই বাজেটে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের ওপর করের বোঝা না বাড়িয়ে কীভাবে রাজস্ব আদায় বাড়ানো যায়, তার একটি বাস্তবসম্মত গাইডলাইন এখানে দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, অর্থনীতিবিদ এবং গণমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে উত্থাপিত এই বিকল্প বাজেটকে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি সচল করার একটি সময়োপযোগী প্রস্তাবনা বলে দাবি করেছে দলটি।
মন্তব্য করুন
মন্তব্য সমূহ
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!