ওয়ালটন প্লাজার ‘কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষা নীতি’র আওতায় আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করছেন মৃত ক্রেতার স্ত্রী আতিয়া আক্তার নীলা।

কিস্তিতে পণ্য কেনার পর ক্রেতার আকস্মিক মৃত্যুতে ওই পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বিক্রয় ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন প্লাজা। প্রতিষ্ঠানটির ‘কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষা নীতির’ আওতায় গ্রাহকের বাকি কিস্তির টাকা মওকুফসহ পরিবারটির হাতে ১ লাখ টাকার বেশি আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ জুলাই) টাঙ্গাইলের আদালত রোড ওয়ালটন প্লাজায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রয়াত গ্রাহক শফিকুল ইসলামের স্ত্রী আতিয়া আক্তার লীনার হাতে আর্থিক সহায়তা বাবদ ১ লাখ ৫৮২ টাকা তুলে দেয় ওয়ালটন প্লাজা কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি টাঙ্গাইলের আদালত রোড ওয়ালটন প্লাজা থেকে ১ লাখ ১৮ হাজার ১৫২ টাকায় কিস্তিতে একটি এসি কেনেন শফিকুল ইসলাম। মাত্র ৫টি কিস্তি পরিশোধের পরই তিনি স্ট্রোকজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। এরপরই তার পরিবারের অনাদায়ী কিস্তি মওকুফ করে বাড়তি এ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়।

সহায়তা পেয়ে শফিকুল ইসলাম স্ত্রী আতিয়া আক্তার লীনা বলেন, স্বামীর মৃত্যুতে অসহায় অবস্থায় পড়ি আমরা। কিস্তি চালানোর অবস্থায় ছিলাম না। আমাদের বিপদের দিনে পাশে দাঁড়িয়েছে ওয়ালটন প্লাজা। তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

আর্থিক সহায়তা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সালেহ মোহাম্মদ শাফী ইথেন, সাবেক কাউন্সিলর সুজাউল করিম মানিক, টাঙ্গাইল সদর থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ লাভলু মিয়া লাবু এবং ওয়ালটনের চিফ ডিভিশনাল অফিসার শাহাদত হোসেন।

উল্লেখ্য, দেশের যে-কোনো ওয়ালটন প্লাজা থেকে কিস্তিতে পণ্য কেনা ক্রেতাদের জন্য ‘কিস্তি ক্রেতা ও পরিবার সুরক্ষা নীতি’ চালু রয়েছে। এর আওতায়, কিস্তি চলাকালীন ক্রেতার মৃত্যু হলে পণ্যমূল্যের ভিত্তিতে ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা এবং পরিবারের কোনো সদস্যের মৃত্যুতে ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত সহায়তা দেওয়া হয়। অনাদায়ী কিস্তি সমন্বয়ের পর অবশিষ্ট টাকা সরাসরি ক্রেতা বা তার স্বজনদের হাতে তুলে দেয় প্রতিষ্ঠানটি।