দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ায় নতুন অগ্রগতি হয়েছে। দুবাই পুলিশ তাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে নীতিগত সম্মতি জানালেও প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নিতে চারটি নির্দিষ্ট বিষয়ে ব্যাখ্যা ও স্পষ্টীকরণ তথ্য চেয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, দুবাই পুলিশের পাঠানো সেই চিঠির জবাব বর্তমানে প্রস্তুত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
চার বিষয়ে ব্যাখ্যা তলব: বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার আইনি ও কারিগরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে দুবাই পুলিশ চারটি বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। চিঠিটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে দুদকের কাছে আসে।
দুদকের প্রস্তুতি: বর্তমানে মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা চিঠিতে চাওয়া তথ্য ও নথিপত্র প্রস্তুত করছেন। খুব শিগগিরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সেগুলোর জবাব দুবাই পুলিশের কাছে পাঠানো হবে। তবে তদন্তসংশ্লিষ্ট বিষয় হওয়ায় চিঠিতে ঠিক কী ধরনের তথ্য চাওয়া হয়েছে, তা প্রকাশ করা হয়নি।
ইন্টারপোলের মাধ্যমে যোগাযোগ: ইন্টারপোলের মাধ্যমে দুবাই পুলিশ বেনজীর আহমেদকে আটকের পর বাংলাদেশ সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়েছিল। এর আগে ১৪৪ পৃষ্ঠার নথি আরবিতে অনুবাদ করে কূটনৈতিক চ্যানেলে দুবাইয়ে পাঠিয়েছিল দুদক।
সমন্বিত কার্যক্রম: বর্তমানে পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের ইন্টারপোল শাখা, পুলিশ এবং দুদক যৌথভাবে বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে আনার এই কাজটি পরিচালনা করছে। দুবাই পুলিশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা হচ্ছে।
ফেরার নির্দিষ্ট সময় অনিশ্চিত: প্রক্রিয়াটিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হলেও, দুদকের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য দুবাইয়ে পাঠানোর পর তা চূড়ান্ত হতে কত সময় লাগবে—সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।

মন্তব্য করুন
মন্তব্য সমূহ
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!