মাস কাল বছর হল সময়ের সমষ্টি। সময় অত্যন্ত মূল্যবান। আমাদের এ জীবন কিন্তু সময়েরই সমষ্টি। এ জন্যই আল্লাহ সময়ের কসম কেটেছেন ইরশাদ হচ্ছেঃ -----"ওয়াল আসরে", "ওয়াদ্দোহা", "ওয়াল্লাইলি" ইত্যাদি! অর্থাৎ- সময়ের কসম, পূর্বাহ্নের কসম, রাতের কতপসম ইত্যাদি।
ইসলামি/আরবী/হিজরী/চান্দ্রবর্ষের দ্বিতীয় মাস হচ্ছে সফর। আরবী "সিফর: মূল ধাতু থেকে উদ্ভূত হলে ‘"সফর" মানে হলো শূন্য বা রিক্ত। আর "সাফর" ক্রিয়া মূল থেকে উৎপন্ন হলে এর অর্থ হবে- হলুদ, হলদেটে, তামাটে, বিবর্ণ, ফ্যাকাশে, ঔজ্জ্বল্যশূন্য, দীপ্তিহীন এবং রক্তশূন্য ইত্যাদি।
মানুষ সাধারণত অবস্থার সঙ্গে সময়কে মূল্যায়ন করে। আরব দেশে সে সময় সফর মাসে খরা হতো ও খাদ্যাভাব, আকাল ও মন্দা দেখা দিত। মাঠঘাট শুকিয়ে বিবর্ণ তামাটে হয়ে যেত। ক্ষুধার্ত মানুষের চেহারাগুলো রক্তশূন্য এবং অতি ফ্যাকাশে হয়ে যেত। তাই তারা অবস্থার সঙ্গে মিল রেখে এই মাসের সঙ্গে একটি বিশেষণ যুক্ত করে বলতোঃ "আস সাফারুল মুসাফফার", অর্থাৎ- "বিবর্ণ সফর মাস!"
-----(লিসানুল আরব, ইবনু মানযুর(রহঃ)
জাহেল আরবরা এই মাসকে দুঃখের মাস মনে করতো! এমনকি তারা এ মাসের চাঁদ দেখা থেকে বিরত থাকতো এবং দ্রুত এ মাস শেষ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করত। ইসলামি বিশ্বাসমতে, সময়ের সঙ্গে কোনো রকম কল্যাণ-অকল্যাণ নেই! কল্যাণ-অকল্যাণ নির্ভর করে মানুষের বিশ্বাস ও কর্মের ওপর।
তাই এই মাসের নামের সেই নেতিবাচক বিশেষণ পরিহার করে একটি সুন্দর এবং ইতিবাচক বিশেষণ যুক্ত করে এ পবিত্র মাসের নামকরণ করা হয়েছে "আস সাফারুল মুজাফফার!" অর্থাৎ-"সাফল্যের সফর মাস!"
প্রতিটি দিন ও মাসই ফযীলতপূর্ণ। মানুষের জীবন হলো সময়েরই সমষ্টি। আর সফর মাসও জীবনেরই অংশবিশেষ। সুতরাং সফর মাসও ফযীলতময় এবং বরকতপূর্ণ একটি মাস!
অতএব আল্লাহ তা'আলার রহমাত এবং বারককাত পেতে হলে এ মাসেও বেশি বেশি আমল করতে হবে। ফরয, ওয়াযিব ও সূন্নাত যথাযথভাবে আদায় করার পাশাপাশি নফল ইবাদতে মশগুল হতে হবে। আল্লাহ রব্বুল আ'লামীন পবিত্র কুরআন মাজিদে বলেছেনঃ
-------"মহাকালের শপথ! মানুষ অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত; কিন্তু তারা নয়, যারা ইমান আনে এবং সৎকর্ম করে এবং পরস্পরকে সত্যের উপদেশ দেয় ও ধৈর্যের উপদেশ দেয়।" ----(সূরা আসরঃ ১-৩)
এই সূরার শুরুতে আল্লাহ তা'আলা সময়ের শপথ করেছেন! এতে বোঝা যাচ্ছে, সময় আল্লাহ তা'আলার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। অতঃপর বিশ্বাস, সৎকর্ম, সদুপদেশ ও ধৈর্যকে সাফল্যের নিয়ামক রূপে বর্ণনা করেছেন। এই হলো ইসলামি সফলতা-ব্যর্থতার মূল কারণ। যাতে কোনো সময়কে অমঙ্গল রূপে চিত্রিত করা হয়নি! বরং সময়কে সফলতার সিঁড়ি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হাদীসে বর্ণিত আছেঃ
-------আম্মাজান উম্মে সালমা(রাঃ) বলেনঃ একদা রাতে নাবীজি সল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম জাগ্রত হয়ে বললেনঃ "সুব'হানাল্লাহ! এ চমৎকার সুন্দর রাত! এতে কত-না বিপদ আপতিত হয়; আর এতে কত-না রহমতের ধনভান্ডার খুলে দেওয়া হয়!"
-----(বুখারি, প্রথম খণ্ড, হাদিস নম্বরঃ ১১৬)।
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ----"কোনো অশুভ-অযাত্রা নেই, কোনো ভূতপ্রেত বা অতৃপ্ত আত্মার অশুভ ক্ষমতা নেই এবং সফর মাসের অশুভ কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই।"
-----(বুখারি, পঞ্চম খণ্ড, হাদিস নম্বরঃ ২১৫১ ও২১৬১)।
মহান আল্লাহ রব্বুল আ'লামীন ইরশাদ করেনঃ
﴿ إِنَّ عِدَّةَ ٱلشُّهُورِ عِندَ ٱللَّهِ ٱثۡنَا عَشَرَ شَهۡرٗا فِي كِتَٰبِ ٱللَّهِ يَوۡمَ خَلَقَ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلۡأَرۡضَ مِنۡهَآ أَرۡبَعَةٌ حُرُمٞۚ ذَٰلِكَ ٱلدِّينُ ٱلۡقَيِّمُۚ فَلَا تَظۡلِمُواْ فِيهِنَّ أَنفُسَكُمۡۚ ﴾ [التوبة: ٣٦]
-------"নভোমন্ডল এবং ভূমন্ডল সৃষ্টির দিন থেকেই আল্লাহর কিতাবে মাস সমূহের সংখা বার! তন্মধ্যে চারটি সম্মানিত, এটাই প্রতিষ্ঠিত দ্বীন। সুতারাং তাতে তোমরা নিজেদের উপর কোন যুলুম করো না।" -----(সূরা তাওবাঃ ৩৬)
এই পবিত্র আয়াতে কারীমায় যে চারটি সন্মানিত মাসের কথা বলা হয়েছে, সে চারটি মাস কোন কোনটি আসুন তা জেনে নেই!
সাহাবী হযরত আবু বাকরা(রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম ঈরশাদ করেনঃ
(السَّنَةُ اثْنَا عَشَرَ شَهْرًا مِنْهَا أَرْبَعَةٌ حُرُمٌ: ثَلاثَةٌ مُتَوَالِيَاتٌ ذُو الْقَعْدَةِ وَذُو الْحِجَّةِ وَالْمُحَرَّمُ، وَرَجَبُ مُضَرَ الَّذِي بَيْنَ جُمَادَى وَشَعْبَانَ ) [رواه البخاري 2958]
-------"বারটি মাসের সমষ্টিই বছর। তন্মধ্যে চারটি অতি সন্মানিত। তিনটি ধারাবাহীক ভাবে পর পর যিলক্বদ, যিলহাজ্জ্ব ও মুহাররম আর জুমাদাস সানী ও শাবানের মধ্যবর্তী রজব মাস!
-----(বুখারীঃ ২৯৫৮)
যেমনি এ চারটি মাস অতি সন্মানিত বা হারাম। তেমনি ভাবে তাতে যে কোন ধরণের অন্যায়, হত্যাযজ্ঞ, খুন-খারাবী ইত্যাদিও গুরতর অপরাধ ও অবৈধ। এ চারটি মাস ব্যতীত বাকী আটটি মাসও মহান আল্লার সৃষ্ট। তাই ওসবও কম সন্মানিত নয়! গুন-বৈশিষ্ট এবং আমলের ফযীলতের দিক থেকে বিশেষ করে রয়েছে শা'বান, রমযান এবং শাওয়ালের কিয়দাংশ এবং যিলহাজ্জ্ব এর প্রথম তেরোদিন! রয়েছে প্রত্যেক মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখের নফল সিয়াম পালন করার বিশেষ ফযীলত এবং প্রতি সপ্তাহের সোমবার এবং বৃহস্পতিবার নফল রোযা রাখার বিধান এবং প্রতি শুক্রবার জুমু'আর বিশেষ বিধান! আল্লাহর সৃষ্ট কোন দিন বা মাসেই অশুভ এবং অলক্ষী-কুলক্ষী বলতে কিছু নেই!
মূলত মানুষ শরীয়তের অনুসৃত হয়ে যদি পুরো মাস এবং বছর নেক আমল বা ভাল কর্ম করে, তখন তার সকল দিন, মাস, বছর সবই মহান রব্বুল আ'লামীনের নিকট ফযীতপূর্ণ এবং বৈশিষ্টময় হয়ে যায়। তখন তাতে অশুভত্ব আর অমঙ্গল ইত্যাদি বলতে কিছুই থাকে না। আর যদি কেউ মহান আল্লাহ ও তাঁর দেওয়া বিধান বা দ্বীন কে ছেড়ে নিজেদের মন মতো জীবন যাপন করে, তখন দিন, মাস, বছর কেন, তার পুরো জীবনটাই অশুভ ও অমঙ্গল হয়ে দাঁড়ায়! বর্বর জাহিলীয়াতের যুগের মত আজ আমরা মুসলিমরা ক্বুরআনুল কারীম এবং রসূল সল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বিশুদ্ধ সূন্নাত হতে দূরে সরে নিজেদের বিভিন্ন মনগড়া মতবাদ উপস্থিত করে সময় ও মাসকে ফযীলতপূর্ণ ও বৈশিষ্টময় মনে করে, এমন সব আমল বা কর্ম-দিবস উদযাপন করে থাকি, যার বিশেষ কোন বৈশিষ্টের কথা কুরআনুল কারীম এবং বিশুদ্ধ হাদীস গ্রন্থে খুঁজে পাওয়া যায় না (যদিও অনেকে বার চান্দের ফযীলত নাম দিয়ে বই- পুস্তক লিখেছেন! আর তাতে তারা অনির্ভরযোগ্য অনেক কথার অবতারণা করেছেন )। তা নিঃসন্দেহ বাতিল বলে গণ্য হবে!
আবার দেখা যায় অনেকে কোন কোন মাস ও সময়কে অশুভ-কুলক্ষ্মী ধারণা পোষণ করে থাকে এবং তাতে বিয়ে- শাদী কিংবা আনন্দ-উৎসব, কোন স্থানে যাওয়া, সফর করা ইত্যাদি অশুভন ধারণা পোষণ করে থাকে! যেমন বদ ধারণা পোষণ করতো জা|হিলী|য়াত যুগের সেইসব জা|হেল|রা! অথচঃ সময়, মাস সবই মহান আল্লাহর সৃষ্ট। যা মানুষের কল্যাণের জন্যই তিনি সৃষ্টি করেছেন। ওসবে কোন অশুভ বা কুলক্ষী হওয়ার বর্ণনা কোথাও নেই! না আল-কুরআনুল কারীমে আর না পবিত্র হাদীসে রসূল সল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম-এ! বরং এধরণের ধারণা পোষণ করাই হলো শিরকেরই অন্তর্ভুক্ত।
প্রিয় পাঠক/পাঠিকাগণ! যে সব সময় এবং মাসের ফযীলাত ও বৈশিষ্টেে কথা কুরআন এবং সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণীত, সে সবের ব্যপারে স্ব-স্ব স্থানে সময় স্বাপেক্ষ আলোচনা করবো ইন শা আল্লাহ। যেহেতু এখন আমাদের মাঝে সফর মাসের আগমন হচ্ছে। অনেকে এ মাসের কোন এক নির্দিষ্ট দিনকে খুব বৈশিষ্টময় মনে করে গুরুত্বের সাথে বিভিন্ন ধরণের ইবাদত-বন্দেগী এবং দান-সাদকা-খায়রাত ইত্যাদি করে থাকেন। অনেকে আবার মাসটিকেই অ|শুভ বলে ভেবে তাতে বিভিন্ন কাজ-কর্ম করা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকেন! তবে আসলে কি এ মাসের কোন নির্দিষ্ট দিন/সময় বৈশিষ্টগত ভাবেই উত্তম রয়েছে, যাতে আনন্দ-খুশি করা বা উদযাপন কিংবা ইবাদত-বন্দেগী ইত্যাদি করা যায়, অথবা অ|শুভন বলতে কিছু আছে যা মেনে চলা বাঞ্চনীয়! আর আমাদের আলোচ্য বিষয়ও সফর মাস কে নিয়ে। সেহেতু অন্য দিকে না গিয়ে আমরা আমাদের আলচ্যবিষয় নিয়েই আলোচনা করি! আমারা প্রথমতঃ ইতিমধ্যেই এমাসের বা অন্য কোন সময়ে কোন অশুভ কোন বিষয় নেই! সুতরাং অশুভ সম্পর্কিত সব বিষয় সম্পর্কে আমাদের সবাইকে দূরে থাকতে হবে!
দ্বিতীয়তঃ সফর মাসের শেষ বুধবারে বিশেষ ভাবে আনন্দ-খুশী উদযাপনকরা অথবা এ দিনে ফযীলতময় কোন আমল আছে কি?
-------"বহু মানুষ সফর মাসের শেষ বুধবারকে(যা তাদের পরিভাষায় আখেরী চাহার সুম্বা) একটি বিশেষ দিন মনে করেন এবং এতে বিশেষ আমল রয়েছে বলে ধারণা পোষণ করে থাকেন। তারা মনে করে সফরের শেষ বুধবার অর্থাৎ আখেরী চাহার সুম্বা!অর্থাৎ-এদিন সারওয়ারে কায়েনাত মহানাবী সল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রোগমুক্তির দিন। আর একারণেই এদিন সকল মুসলমানদের জন্য আনন্দময় এবং পবিত্র দিন।
-------হাদীসে বর্ণিত আছেঃ "এক ই হু দি চিকিৎসক রসূল সল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম এর পবিত্র চুল মুবারক নিয়ে জাদুটোনা করেছিল। ফলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। অসুস্থতার কারণে তিনি কিছুদিন মসজিদে যেতে পারেননি। সফর মাসের শেষ বুধবার তিনি সুস্থতা বোধ করে গোছল করেন এবং দুজন সাহাবীর কাঁধে ভর করে পবিত্র মসজিদে নববীতে গিয়ে জামাতে নামায আদায় করেন!"
-------রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম এর এই সুস্থ্যতার কারণে খুশী হয়ে বিভিন্ন সাহাবা(রাঃ)গণ তাঁদের সাধ্যমত দান- সাদকা এবং নফল নামায আদায় করেন! যদিও এর পরবর্তী সময়ে এদিনের কথা স্বরণ করে সাহাবা (রাঃ) গণ এধরণের কোন আমল করেছেন বলে কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না! তারপরেও কারো কারো মতে এদিন বিভিন্ন দান-সাদকাহ এবং নফল ইবাদতের মাধ্যম অতিবাহিত করা অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ ইবাদত হিসেবে গণ্য হবে!
-------দান-সাদকা এবং অন্যান্য নফল আমল সব সময়ই করা উচিত। আমাদের মনে রাখতে হবে এসব আমল শুধুমাত্র একদিনের জন্য নয়! বরং প্রতিটি দিন, প্রতিটি সময় এবং প্রতিটি মূহুর্তের জন্য প্রযোজ্য!
------১৩,১৪ ও ১৫ তারিখ আইয়ামেবীযের সূন্নাত রোযা এবং সপ্তাহের প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার সূন্নাত রোযা। চন্দ্র দেখা, দু'আ পাঠ করা ও নফল নামায আদায় করা এমাসের ফযীলতপূর্ণ আমল!!
নতুন চাঁদ দেখে যে দু’আ পড়তে হয়ঃ
যেকোন মাসের চাঁদ দেখে, অর্থাৎ মুহাররম মাস থেকে শুরু করে যিলহাজ্জ্ব পর্যন্ত সকল মাসের চাঁদ দেখার পরে এই একটি দু'আ-ই পাঠ করতে হয়! এবিষয়ে সহীহ একটি হাদীসঃ
-------ত্বালহা ইবনু উবাইদুল্লাহ(রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নতুন চাঁদ দেখার পর নাবী কারীম সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ "আল্লাহু আকবার! আল্লাহুম্মা আহিল্লা আ'লাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমানি, ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলামী, ওয়াত তাওফীক্বী লিমা তুহিব্বু, রব্বানা ওয়া তারদ্ব, রব্বুনা ওয়া রব্বু কাল্লাহ!"
▪️অর্থাৎঃ আল্লাহ মহান(সবচেয়ে বড়)! হে আল্লাহ! এই নতুন চাঁদকে আমাদের জন্য উদিত করুন রকতময় (নিরাপদ), ঈমান, নিরাপত্তা ও শান্তির বাহন করে! আর হে আমাদের প্রভু!(আর এই নতুন চাঁদকে উদিত করুন) যা আপনি পছন্দ করেন এবং যাতে আপনি সন্তুষ্ট হন তার প্রতি(আমাদের) তাওফীক লাভের সাথে। আল্লাহ তা'আলা আমারও প্রভু এবং তোমার(চাঁদের)ও প্রভু!"
▪️باب مَا يَقُولُ عِنْدَ رُؤْيَةِ الْهِلاَلِ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ سُفْيَانَ الْمَدَنِيُّ، حَدَّثَنِي بِلاَلُ بْنُ يَحْيَى بْنِ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا رَأَى الْهِلاَلَ قَالَ " اللَّهُمَّ أَهْلِلْهُ عَلَيْنَا بِالْيُمْنِ وَالإِيمَانِ وَالسَّلاَمَةِ وَالإِسْلاَمِ رَبِّي وَرَبُّكَ اللَّهُ " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ .
-----(সূনান আত তিরমিজীঃ ৩৪৫১)!!
●● ইয়া আল্লাহ তা'আলা! আমাদের সবাইকে সঠিক এবং পরিপূর্ণ ভাবে জানার, বোঝার এবং মেনে চলার তাওফীক দান করুন এবং আমাদের সবাইকে ক্ষমা, কবুল ও হিফাযত করুন এবং আমাদের কে সুস্থ্য, সুন্দর, নিরাপদ এবং ভালো রাখুন(আ-মীন)।।