📅 বাংলা: ১৬ জুন ২০২৬ - মঙ্গলবার
📅 ইংরেজি: 16 June 2026 - Tuesday
📅 আরবি: ০১ মুহাররম ১৪৪৮ হিজরি
বেনজীরকে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু
লেখক: দৈনিক প্রথম বেলা (রিপোর্ট)
দুবাইয়ে গ্রেফতার হওয়া সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার বিরুদ্ধে চলমান মামলাগুলোর প্রয়োজনীয় নথিপত্র, আদালতের আদেশ, গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং তদন্ত-সংক্রান্ত কাগজপত্র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে।
দুদক সূত্রে জানা যায়, বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র কমিশনের প্রধান কার্যালয় থেকে ধাপে ধাপে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হচ্ছে।
প্রথম ধাপে দুদকের উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত নথিপত্র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যাচাই-বাছাই শেষে এই নথিগুলো দ্রুত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হবে। এরপর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের কাছে নথিগুলো পৌঁছানো হবে। দূতাবাস সেগুলো আমিরাতের সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, গত ১২ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানায় যে, ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে বেনজীর আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
দুদকের সূত্র আরও জানিয়েছে, সাবেক এই পুলিশ প্রধানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন, অর্থ পাচার ও পাসপোর্ট জালিয়াতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।
এর মধ্যে অবৈধ সম্পদ অর্জনের একটি মামলায় তার বিচার কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এছাড়া আরও পাঁচটি মামলার তদন্ত কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভাষ্য, প্রত্যর্পণ আবেদনের ক্ষেত্রে শুধু মামলার নথি নয়, আসামির নিখুঁত পরিচয়, গ্রেফতারি পরোয়ানা, অভিযোগের প্রকৃতি এবং বিচারিক কার্যক্রমের অবস্থান সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্যও প্রয়োজন হয়। দুদক সেই সব নথির একটি পূর্ণাঙ্গ সেটই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে।
এখন এসব নথির ভিত্তিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ (Extradition) আবেদন পাঠানোর জোর প্রস্তুতি চলছে। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আমিরাতের আইন অনুযায়ী, কোনো আসামিকে গ্রেফতারের ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দেশকে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ আবেদন জমা দিতে হয়। সেই সময়সীমা মাথায় রেখেই অত্যন্ত দ্রুতগতিতে কাজ করছে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্টদের দাবি, দুবাইয়ে গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে বেনজীর আহমেদকে ঘিরে আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। এখন পুরো নজর প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ার দিকে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে
ছবি প্রস্তুত করা হচ্ছে, দয়া করে অপেক্ষা করুন...