ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসির শেয়ারহোল্ডারবৃন্দ ২০২৫ সালের জন্য ৩০% লভ্যাংশ (ডিভিডেন্ড) অনুমোদন দিয়েছেন। অনুমোদিত লভ্যাংশের মধ্যে ১৫% নগদ (ক্যাশ ডিভিডেন্ড) এবং ১৫% বোনাস শেয়ার (স্টক ডিভিডেন্ড) আকারে বণ্টন করা হবে।

গত ১১ জুন ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত ব্যাংকটির ২৭তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শেয়ারহোল্ডারের উপস্থিতিতে এই লভ্যাংশ অনুমোদন দেওয়া হয়।

আগের বছরের তুলনায় ৫৭% বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২,২৫১ কোটি টাকায়। শুধু ব্র্যাক ব্যাংকের একক (স্ট্যান্ডঅ্যালন) নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ১,৫৮১ কোটি টাকা (যা আগের বছরের চেয়ে ৩০% বেশি)। সমন্বিত ইপিএস বেড়ে হয়েছে ৯.১২ টাকা (২০২৪ সালে ছিল ৬.১৮ টাকা)। সমন্বিত এনএভি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১.৫৬ টাকা। একক ভিত্তিতে গ্রাহক আমানতে ২৯% এবং ঋণে ১৭% প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।

ব্যাংকটির চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই এজিএম-এ উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারপারসন ফারুক মঈনউদ্দীন আহমেদ এবং পরিচালকবৃন্দ— সালেক আহমেদ আবুল মাসরুর, আনিতা গাজী রহমান, চৌধুরী এমএকিউ সারওয়ার এবং লীলা রশিদ। সভাটি পরিচালনা করেন কোম্পানি সচিব এম মাহবুবুর রহমান, এফসিএস।

সভায় ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান ব্যাংকের প্রতি অবিচল আস্থা রাখার জন্য শেয়ারহোল্ডারদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

ব্যাংকটির চেয়ারপারসন মেহেরিয়ার এম. হাসান তাঁর বক্তব্যে দেশের সামগ্রিক সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ব্যাংকের শক্তিশালী আর্থিক সক্ষমতা ও টেকসই প্রবৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি শেয়ারহোল্ডার, রেগুলেটর এবং সমস্ত স্টেকহোল্ডারদের ধন্যবাদ জানিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ২০২৬ সালে ব্র্যাক ব্যাংক সাফল্যের এই ধারা বজায় রেখে আরও বড় উচ্চতায় পৌঁছাবে।