সর্বশেষ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর থেকে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীই যে রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন, তা মোটামুটি নিশ্চিত।

দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীর নাম এখনো ঘোষণা করা না হলেও, এবং রাজনৈতিক অঙ্গন ও গণমাধ্যমের সূত্রে শীর্ষ নেতাদের মধ্য থেকে সম্ভাব্য নামগুলো জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে।

আলোচিত শীর্ষ ৪ নেতার মধ্যে যাদের নাম সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে:

১. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর:

বিএনপির মহাসচিব হিসেবে রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের নেতৃত্ব এবং সব মহলের সঙ্গে যোগাযোগের সক্ষমতার কারণে তার নাম সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে এবং বিভিন্ন সূত্রে তাকেই রাষ্ট্রপতি হিসেবে চূড়ান্ত করার জোরালো আলোচনা রয়েছে।

২. ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন:

দলের স্থায়ী কমিটির এই প্রবীণ নেতার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, একাধিকবার সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী হিসেবে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা রয়েছে।

৩. ড. আবদুল মঈন খান:

স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ এই নেতার শিক্ষাগত ও বুদ্ধিবৃত্তিক পরিচিতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং অর্থনীতি ও নীতিনির্ধারণী বিষয়ে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তাকে একটি ভারসাম্যপূর্ণ বিকল্প হিসেবে আলোচনায় রেখেছে।

৪. নজরুল ইসলাম খান:

দলের স্থায়ী কমিটির আরেক পরীক্ষিত ও প্রবীণ নেতা নজরুল ইসলাম খান। শ্রমিক রাজনীতি ও দলের দুর্দিনে তার দীর্ঘ অবদানের কথা মাথায় রেখে তাকেও সম্ভাব্য ‘সমঝোতার প্রার্থী’ হিসেবে ভাবা হচ্ছে।

এদিকে বিরোধী জোটের পক্ষ থেকে কর্নেল অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করা এবং বিএনপি কর্তৃক মনোনয়নপত্র সংগ্রহের পর এখন সবার নজর দলীয় হাইকমান্ডের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার দিকে।