শিরোনাম
বাংলাদেশে দরিদ্রসীমার নিচে মানুষের সংখ্যা কমলেও, গৃহহীন মানুষের সংখ্যা এখন ও কমেনি পাঁচ ক্রিকেটারকে ‘স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড’ দিলেন পাপন নামাজ পড়তে সমস্যা হওয়ার কারনে অভিনয় ছাড়লেন নায়িকা মুক্তি চঞ্চল-শাওনের ভাইরাল ‘যুবতী রাধে’ গান নিয়ে বেধেছে বিতর্ক হয়েছেন মাস্ক না পরলে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সেবা পাওয়া যাবে না বলে নির্দশনা দিয়েছেন সরকার ১ নভেম্বর থেকে মাধ্যমিকের সিলেবাস শুরু হতে যাচ্ছে, ৮ নির্দেশনা জারি সাংবাদিকদের মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আজ শেরে বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক এর ১৪৭তম জন্মবার্ষিকী শহরের আদলে হবে গ্রাম, একটি মাস্টারপ্লান গ্রহণ করেছে স্থানীয় সরকার এমএলএম ব্যবসার মাধ্যমে অসহায় মানুষদের লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে “এসএম ট্রেডিং”
করোনার বাড়লেও সাধারণ ছুটি বা লকডাউন নয় – প্রথম বেলা

করোনার বাড়লেও সাধারণ ছুটি বা লকডাউন নয়

আসছে শীতে করোনার প্রকোপ বাড়লেও আগের মতো সাধারণ ছুটি কিংবা এলাকাভিত্তিক লকডাউনে যাবে না দেশ। অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালু রেখেই করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা সামলাতে চায় সরকার। গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হওয়ার আশঙ্কাকে সামনে রেখে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য অনুষ্ঠিত আন্ত মন্ত্রণালয় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদসচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব এবং প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।

মন্ত্রিপরিষদসচিব বলেন, ‘যদি করোনার দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হয় তাহলে কিভাবে কাজ করতে হবে তার একটি প্রাথমিক পরিকল্পনা আমরা করেছি। শীতের সময় অ্যাজমা, নিউমোনিয়া, ইনফ্লুয়েঞ্জা বেশি থাকে। এ বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা এবং তাদের দ্রুত চিকিৎসার বিষয়টিতে গুরুত্ব দেওয়া হবে।’ তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয়বারের করোনা ধাক্কা সামলানোর জন্য ক্লিনিক্যাল দিকগুলো বিশেষজ্ঞরা দেখবেন। যদি রোগের বেশি বিস্তার ঘটে তাহলে আরো কী উদ্যোগ নিতে হবে তা আমাদের বিদ্যমান অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিলিয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

দ্বিতীয় পর্যায়ের করোনার ধাক্কা সামলাতে সচেতনতাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। সবাই যাতে মাস্ক পরে, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখে—এ বিষয়গুলোর দিকে বেশি নজর দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রিপরিষদসচিব বলেন, ‘দেশের বাইরে থেকে অনেক লোক দেশে আসছে, এ ব্যাপারে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা আছে, তা আরো জোরদার করা হবে। এ ছাড়া পিআইডি, তথ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ মসজিদগুলোর মাধ্যমে মানুষকে আরো সচেতন করা হবে। অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেও সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হবে। স্বাস্থ্য বিভাগের ইউনিয়ন পর্যন্ত কর্মচারী আছেন, তাঁরা এ বিষয়ে কাজ করবেন। গণমাধ্যমেরও একটা বড় ভূমিকা আছে। আমরা আশা করি বিগত দিনগুলোর মতো করোনা মোকাবেলায় সাংবাদিকরাও তাঁদের ইতিবাচক পদক্ষেপগুলো অব্যাহত রাখবেন।’

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘বিদ্যমান করোনা ধাক্কা যখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে ছিল তখন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের ধারণক্ষমতা ছিল সাড়ে তিন হাজারের মতো। সেখানে দেড় হাজারের বেশি রোগী আসেনি। এ জন্য আমরা প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকার সুবিধা দুই হাজারের মতো রেখেছি। তবে যদি পরিস্থিতি খারাপের দিকে যায় তাহলে আমরা কোয়ারেন্টিন সুবিধা আরো বাড়াব।’

Read Previous

শাওন-স্বর্ণলতা অভিনীত তমালের ‘হোম ডেলিভারি

Read Next

বিএনপির নতুন মহাসচিব পদে ফখরুলকে বাদ দিয়ে যাদের নাম আসছে

%d bloggers like this: