আসন্ন উপ-নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব পরিচিত মুখ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ

স্টাফ রিপোর্টার : বিগত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বি এন পি সহ মোট ৮টি দল নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক স্বরাষ্ট্র, ডাক ও টেলি যোগাযোগ মন্ত্রী বিপুল ভোটে বিজয়ী হলেও প্রাপ্ত ভোটের দিক থেকে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছিলেন মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ।

গত ৯ জুলাই বৃহস্পতিবার ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, সাবেক মন্ত্রী এডভোকেট সাহারা খাতুন ইন্তেকাল করায় নির্বাচনের নিতিমালা অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে উপনির্বাচনের কথা রয়েছে। এই উপনির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থীর পাশাপাশি অন্যান্য দলের মধ্যে ন্যাশনাল পিপলস্ পার্টি (এনপিপি)’র কেন্দ্রিয় কমিটির সাহিত্য সম্পাদক ও ঢাকা মহানগরের সহ-সভাপতি গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব পরিচিত মুখ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ এর নাম আলোচনায় উঠে আসে।

ব্যাক্তিগত জীবনে সদালাপি, হাস্যজ্জল, ভদ্র, বিনয়ী, ৩৭টি গ্রন্থের লেখক বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, কলামিষ্ট, লেখক, কবি, মাসিক ভিন্নমাত্রা ও ছোটদের কাগজ টাপুর টুপুর এর সম্পাদক ও প্রকাশক মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ’র সংক্ষিপ্ত জীবনী, পিতা-আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার, মাতা- মিসেস জাহানারা সাত্তার। জন্ম ১৯৭১ সালের ২২ নভেম্বর। পৈতৃক নিবাস গ্রাম ও ডাকঘর পত্তাশী, উপজেলা – জিয়ানগর, জেলা- পিরোজপুর। পড়ালেখা এমএ (ফার্স্ট ক্লাস)। লেখালেখি শুরু ১৯৯১ সালে ছাত্রাবস্থায়। প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ ” অভিব্যক্তি ” ১৯৯২ সালে। অনির্বাণ নামে একটি পত্রিকার সম্পাদনা করেছেন দীর্ঘদিন। মালয়েশিয়ায় অবস্থান করেন প্রায় তিন বছর। কুয়ালালামপুর থেকে তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ‘মুক্তির স্বাদ’ তিনি প্রায় ১৬বছরের শিক্ষাগত জীবনে বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি প্রায় তিন বছর বাংলা বিষয়ে আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক জীবনে তিনি ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এন পি পি)র কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদকের দায়িত্বে থেকে বিগত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এর মেয়র প্রয়াত জনাব আনিসুল হক এর মৃত্যুর পর উপ নির্বাচনে তিনি দলীয় মনোনয়ন পান। পরবর্তীতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসন থেকে এমপি পদে ‘আম’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ছড়া-কবিতা, ছোটগল্প, শিশুতোষ গল্প, প্রবন্ধ, জাতীয় দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক পত্রপত্রিকায় লিখে যাচ্ছেন। তার প্রকাশিত গ্রন্থ একক ও যৌথ ভাবে ৩৭টি। এর মধ্যে কিন্ডারগার্টেন স্কুলে ৯টি বই পাঠ্যবই হিসেবে সিলেক্টেড। বিভিন্ন টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করেন। প্রতিষ্ঠা করেছেন স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আওতায় ‘ কনফিডেন্স ব্লাড ব্যাংক’। পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছেন – সহ সভাপতি, উত্তরা সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব, চেয়ারম্যান, ভিন্নমাত্রা রিসার্চ সেন্টার, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ভিন্নমাত্রা মিডিয়া ভিশন, সভাপতি (বৃহত্তর উত্তরা) জাতীয় মানবাধিকার সোসাইটি, মিডিয়া ও তথ্য উপদেষ্টা, বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি, মহাসচিব, এশিয়ান সাহিত্য পরিষদ, সাধারণ সম্পাদক, চন্দ্রিমা শিল্প সাহিত্য পরিবার, সহ-সভাপতি, অন্যধারা সাহিত্য সংসদ, সদস্য, উত্তরা সাহিত্য পরিষদ, সহ-সভাপতি, অনুশীলন সাহিত্য পরিষদ, প্রধান উপদেষ্টা, বাংলা বাজার শিশু কিশোর একাডেমি, গাজীপুর, উপদেষ্টা, পেন টোন হাই স্কুল, ঢাকা, উপদেষ্টা, জাগো বাংলা শিশু কিশোর ফেডারেশন, সদস্য, উত্তরা মিডিয়া ক্লাব, উপদেষ্টা, বাংলাদেশ সাহিত্য পরিষদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি, পত্তাশী হাচানিয়া মাদরাসা সংলগ্ন মসজিদ, চেয়ারম্যান, ভিন্নমাত্রা টেলিভিশন (প্রস্তাবিত) ভাইস চেয়ারম্যান, বঙ্গটিভি, তিনি সাংবাদিকতা ও সাহিত্যে ইতিমধ্যে কবি শামসুর রহমান সাহিত্য পদক ২০১০, মানবাধিকার সম্মাননা ২০১১, ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ সম্মাননা ২০১২, কবি নজরুল সাহিত্য সম্মাননা ২০১৩, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্য সম্মাননা ২০১৪, স্বাধীনতা সংসদ পার্সোনালিটি ২০১৪, কিচিরমিচির শিশু সাহিত্য সম্মাননা -২০১৫, স্টার এওয়ার্ড -২০১৬, কলমিলতা সাহিত্য পুরস্কার -২০১৭, শেরে বাংলা স্মৃতি পুরস্কার -২০১৭, মাদার তেরেসা গুণীজন সম্মাননা -২০১৭ সহ প্রায় অর্ধশতাধিক সম্মাননা ও পুরস্কার অর্জন করেন। তিনি মাসিক ভিন্নমাত্রা ও ছোটদের কাগজ টাপুর টুপুর এর প্রকাশক ও সম্পাদক। ভিন্নমাত্রা প্রকাশনীরব সত্তাধীকারি, দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক, তিনি তাঁর আম্মা এবং তার স্ত্রী শাহানা আক্তার শাহিন ও একমাত্র পুত্র সন্তান সালমান ফারদিনকে নিয়ে সুখের সময়গুলো ঢাকার উত্তরাতে কাটাচ্ছেন।

 

Read Previous

ফরাজী মো. হাফিজুর রহমান এর খোলা চিঠি।

Read Next

বাংলার অপ্রতিদ্বন্দী নেত্রী শেখ হাসিনাকে বন্দীকরে সেদিন গনতন্ত্রকে বন্দী করেছিলো তারা-আলহাজ্ব মোঃ শাহ্ আলম

%d bloggers like this: