করোনার ছুটিতে পর্যটকের ভিড় কক্সবাজার সৈকতে

প্রথম বেলা ডেক্স:  করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৩১ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। আর শিক্ষার্থীদের বাড়ির মধ্যে থাকাটা অভিভাবকদের নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। সব ধরণের জনসমাগম এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। কিন্তু পর্যটন স্পটগুলোতে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। অভিভাবকরা সন্তানদের নিয়ে ভিড় করছেন সেখানে। দেশের দূর দূরান্ত থেকে আসছে পর্যটকরা। এছাড়া তরুণ পর্যটকদেরও সংখ্যা বাড়ছে।

কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি এবং বান্দরবনের পর্যটন স্পটগুলো ঘুরে দেখা গেছে, সেখানে পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে। অনেকে দল বেঁধে আসছেন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে।

স্ত্রী ও সন্তাদের নিয়ে কক্সবাজার সৈকতে ঘুরতে আসা এমনই এক পর্যটক বলেন, আমরা এখানে এসেছি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের উপর বিশ্বাস রেখে, ভাইরাস একটি ক্ষুদ্র জীবাণু, যেটা আমরা দেখতে পাই না। যার বিরুদ্ধে কোন যুদ্ধ করে, অস্ত্র ধরে লাভ নেই।

সৈকতে ঘুরতে আসা আরেক মহিলা বলেন, ঢাকায় আরও বেশি মহামারি আকার ধারণ করেছে। এখানে থাকাটা আমার কাছে বেশি নিরাপদ মনে হচ্ছে। তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক পুরুষ জানান, প্রত্যেক পর্যটক যদি সচেতন থাকে তাহলে কোন সমস্যা নেই।

এদিকে সংশ্লিষ্টরা জানান, হোটেল, মোটেলে বুকিং কমলেও, তরুণ পর্যটকদের সংখ্যা কমছে না। স্থানীয়দের সংস্পর্শ বন্ধ করতেও কোন উদ্যোগ নেই। এছাড়া পর্যটন স্পটগুলোতেও নেয়া হয়নি কোন বাড়তি সতর্কতা।

এর আগে পাকিস্তানের করাচিতেও দেখা যায় একই চিত্র।

বিশ্বব্যাপী এই ভাইরাস মহামারি রূপ নিয়েছে। কিন্তু এখনো কোন ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। এ অবস্থায় এই মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়ার একমাত্র উপায় হল প্রতিরোধ করা। এর জন্য নিজেদের সচেতনতার বিকল্প নেই।

Read Previous

‘আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ভয়ংকর অবস্থার সৃষ্টি হতে যাচ্ছে’

Read Next

করোনাভাইরাসকে মহামারি ঘোষণার নির্দেশ

%d bloggers like this: