এই প্রথম ফুটবলের সঙ্গে জড়িত কারও মৃত্যু দেখল

প্রথম বেলা ডেক্স:   করোনাভাইরাস এখন আর কোনো দূর আতঙ্কের নাম নয়। চীন থেকে সার বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে এই নতুন সংক্রমণ। এখনো কোনো ভ্যাকসিন আবিষ্কার না হওয়ায় এরই মাঝে বৈশ্বিক মহামারিতে রূপ নিয়েছে এটি। এরই মাঝে এই ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা সাড়ে ছয় হাজার ছাড়িয়ে গেছে। চীনের পর ইউরোপেও ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসে এরই মাঝে ইতালিতে মারা গেছে আঠারো শর বেশি মানুষ। স্পেনেও সংখ্যাটি তিন শর বেশি।

করোনা সংক্রমণ থামাতে ইউরোপে রাশিয়া বাদে প্রায় সব বড় ফুটবল লিগই থামিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে ফুটবল দর্শকেরা ইউরোপিয়ান ফুটবল ছাড়াই আগামী দুই সপ্তাহ পার করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ফুটবল করোনার প্রভাব ভালোভাবেই টের পাচ্ছে। অনেক ফুটবলার ও ফুটবল সংশ্লিষ্ট অনেকেই এই ভাইরাসে আক্রান্তও হয়েছেন। তবু করোনাভাইরাসে মৃত্যুর খাতায় ফুটবল–সংশ্লিষ্ট কারও নাম ছিল না। গতকাল স্প্যানিশ এক ফুটবল কোচ সেই অনাকাঙ্ক্ষিত প্রথম হলেন।

স্পেনের মালাগা অঞ্চলের অ্যাটলেটিকো পোরতাদা আলতার জুনিয়র দলের কোচ ছিলেন ফ্রান্সিসকো গার্সিয়া। মাত্র ২১ বছর বয়স তাঁর। কিন্তু জানতেন না তাঁর শরীরে বাসা বেঁধেছে লিউকোমিয়া। করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ায় চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন। সেখানেই জানলেন শরীরে আগ থেকেই জায়গা করে নেওয়া মরণব্যাধির কথা।

রোববার গার্সিয়ার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন ক্লাবের সভাপতি পেপ বুয়েনো, ‘ফ্রান্সিসকো দারুণ এক মানুষ ছিল, ছিল প্রতিভাবান এক কোচ। আমাদের এখনো চমক কাটছে না। হাসপাতাল থেকে রোববার সন্ধ্যা সাতটায় ফোন করেছিল আমাকে। বলেছিল তাঁর অবস্থা এখন স্বাভাবিক। কিন্তু এক ঘণ্টা পরেই…করোনাভাইরাসের সঙ্গে খুবই ভয়ংকর এক রোগ মিশে এ ঘটনা ঘটল। আমি এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না, এটা হয়েছে।’

মালাগা অঞ্চলে এই নিয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হলো করোনাভাইরাসে। যদিও বাকি চারজনের বয়স ৭০-এর ওপরে ছিল।

Read Previous

ঢাকা থেকে মাদারীপুর এ যেনো বিদেশি সড়কে যাত্রা

Read Next

করোনাভাইরাসের প্রভাব: ঐচ্ছিকভাবে বাসায় থেকে অফিস করার সুযোগ দিয়েছে

%d bloggers like this: