দুই বন্ধুর জয়ে শুরু

প্রথম বেলা ডেক্স: বিপিএলে একসঙ্গে একই দলে খেলেছেন মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা ও মোহাম্মদ আশরাফুল। তবে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে কখনো এমনটা হয়নি। ২০ বছরের ক্যারিয়ারে এবার ‘দুই বন্ধু’ নাম লিখিয়েছেন একই দলে। বেছে নিয়েছেন শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবকে। যে দলের হয়ে দুই বন্ধুর ‘নতুন মিশনের’ শুরুটাও হয়েছে দারুণ।

সোমবার মাশরাফী-আশরাফুলদের নিয়ে গড়া শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব নিজেদের প্রথম ম্যাচে ৫৫ রানে হারিয়েছে খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতিকে।

সাভারের বিকেএসপিতে টস জিতে শেখ জামালকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় খেলাঘর। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৭৬ রান করে শেখ জামাল। জবাবে ৯ উইকেটে ২২১ রানের বেশি করতে পারেনি খেলাঘর।

মাশরাফী-আশরাফুল দুজনের কেউই অবশ্য এদিন দারুণ কিছু করতে পারেননি। সৈকত আলীর সঙ্গে ওপেন করতে নেমে আশরাফুল ১৪ বলে মাত্র ৩ রানেই ফেরেন। পরে বল হাতে ১ ওভার বল করে ৯ রান ব্যয় করেন।

মাশরাফী ৭ ওভার বল করে ৩৪ রান খরচায় উইকেট পাননি। তবে তার একটি ওভার ছিল ‘মেইডেন’। তার আগে ব্যাট হাতে ৭ বলে ১ রান করেন মাশরাফী।

মাশরাফী-আশরাফুল দলে থাকলেও শেখ জামালকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন নুরুল হাসান সোহান। অধিনায়ক সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন দলকে। সৈকত আলী, নাসির হোসেনের সঙ্গে দলকে ফিফটি উপহার দেন সোহানও।

সৈকত সর্বোচ্চ ৮৩ রান করে হয়েছেন ম্যাচসেরা। ৭৯ বলে ১০ চার ও ২ ছক্কায় নিজের ইনিংস সাজান ডানহাতি এই ওপেনার। নাসির ৫৭ বলে ২ চার ও ৪ ছক্কায় করেন ৫৬ রান।

সোহানের ব্যাট থেকে আছে ৫৮। ৬৭ বলের ইনিংসে ৫টি চারের সঙ্গে হাঁকিয়েছেন ১ ছক্কা। খেলাঘরের পক্ষে ইফরান হোসেন সর্বাধিক ৪ উইকেট নেন।

খেলাঘর জবাব দিতে নেমে সোহরাওয়ার্দী শুভ, ইলিয়াস সানি ও সালাউদ্দিন শাকিলদের বোলিংয়ে এগোতে পারেনি সেভাবে। তিনজনই নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।

খেলাঘরের পক্ষে একমাত্র ফিফটি অধিনায়ক জহুরুল ইসলাম অমির। ৭৮ বলে ৫ চারে ৫১ রান করেন জাতীয় দলের সাবেক ব্যাটার। জাতীয় দলের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ খেলছেন খেলাঘরে। তিনিও ছিলেন ফ্লপ। ১০ ওভার বল করে ৬৭ রান খরচায় কোনো উইকেট পাননি। ব্যাট হাতেও ৭ রানের বেশি করতে পারেননি।

Read Previous

চকবাজারে লোশন-ক্রিম তৈরি হচ্ছে চুলায় !

Read Next

ফের ব্যর্থ নেতানিয়াহু, প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন গানৎজ

%d bloggers like this: