শিরোনাম
বাংলাদেশে দরিদ্রসীমার নিচে মানুষের সংখ্যা কমলেও, গৃহহীন মানুষের সংখ্যা এখন ও কমেনি পাঁচ ক্রিকেটারকে ‘স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড’ দিলেন পাপন নামাজ পড়তে সমস্যা হওয়ার কারনে অভিনয় ছাড়লেন নায়িকা মুক্তি চঞ্চল-শাওনের ভাইরাল ‘যুবতী রাধে’ গান নিয়ে বেধেছে বিতর্ক হয়েছেন মাস্ক না পরলে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সেবা পাওয়া যাবে না বলে নির্দশনা দিয়েছেন সরকার ১ নভেম্বর থেকে মাধ্যমিকের সিলেবাস শুরু হতে যাচ্ছে, ৮ নির্দেশনা জারি সাংবাদিকদের মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আজ শেরে বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক এর ১৪৭তম জন্মবার্ষিকী শহরের আদলে হবে গ্রাম, একটি মাস্টারপ্লান গ্রহণ করেছে স্থানীয় সরকার এমএলএম ব্যবসার মাধ্যমে অসহায় মানুষদের লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে “এসএম ট্রেডিং”
ঠাকুরগাঁওয়ে ধর্ষনের দায়ে তিন বন্ধুর যাবজ্জীবন – প্রথম বেলা

ঠাকুরগাঁওয়ে ধর্ষনের দায়ে তিন বন্ধুর যাবজ্জীবন

প্রথম বেলা ডেক্স:

বৃহস্পতিবার বিকালে ঠাকুরগাঁও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক গোলাম ফারুক এ রায় দেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আবু তৈয়ব মো. নজমুল হুদা।

ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবনের পাশাপাশি আসামিদের এক লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া অপহরণের দায়ে প্রত্যেককে আরও ১৪ বছর করে কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে;  জরিমানা না দিলে আরও ছয়মাস কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে তাদের।

দণ্ডিতরা হলেন, জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের মলিফত হোসেনের ছেলে মকিম উদ্দিন এনতা (৪৩), একই উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে সুমন (৩৩) ও দৌলতপুর গ্রামের মকিম উদ্দিন শুকনার ছেলে আব্দুল মালেক সানু (৩২)

এ মামলার অপর আসামি পীরগঞ্জ উপজেলার জগথা গ্রামের আবুল হোসেনে স্ত্রী সখিনা বেগম (৪৮) মামলা চলমান অবস্থায় মারা গেলে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

২০০৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর রিকশাচালক বাবা মনতাজ আলীর মৃত্যুর খবর দিয়ে জেলার রাণীশংকৈল উপজেলা গোগর চৌরাস্তার বাড়ি থেকে ওই কিশোরীকে কৌশলে অপহরণ করেন মকিম উদ্দিন এনতা। ওই কিশোরীকে পীরগঞ্জ উপজেলার জগথায় সখিনা বেগমের বাসায় নিয়ে যান অপহরণকারী মকিম।

ওই বাড়িতে দুই দিন ধরে কিশোরীকে আটকে রেখে মকিম উদ্দীন এনতা, তার দুই বন্ধু সুমন ও মালেক সানু দলবেঁধে ধর্ষণ করে।

২০১৮ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর এ ঘটনায় কিশোরীটির মা বাদী হয়ে রানীশংকৈল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালিয়ে ওই কিশোরীকে উদ্ধার এবং আসামিদের গ্রেপ্তার করে।

আইনজীবী আবু তৈয়ব জানান, ২০০৯ সালের ১৩ জানুয়ারি রাণীশংকৈল থানার এসআই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন মকিম উদ্দীন এনতা, তার দুই বন্ধু সুমন, মালেক সানু ও সখিনা বেগমের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন

Read Previous

ঠাকুরগাওয়ে ধর্ষনের দায়ে তিন বন্ধুর যাবজ্জীবন

Read Next

বগুড়ায় ভুয়া মামলা করতে বাধ্য করায় দুই পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

%d bloggers like this: