শিরোনাম
ভন্ড কবিরাজ মোজাম্মেল হকের প্রতারণা থেমে নেই বাইমাইলে ভাড়াটিয়ার বিরুদ্ধে ভাড়া না দিয়ে মার্কেট মালিককে হয়রানির অভিযোগ হারলেই শেষ হবে-রশিদ-ওয়ার্নারদের আইপিএল এবার সত্যিই বিয়ে করলেন নেহা কক্কর, বিষয়টি আর গুজব নয় অপরাধী যেই হোক কেন আইনের মুখোমুখি হতেই হবে বললেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লম্পট স্বামীর বিরুদ্ধে কন্যাদের শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা করলো স্ত্রী, লম্পট স্বামী গ্রেফতার রিফাত হত্যার রায়কে ঘিরে আদালত প্রাঙ্গণে নেওয়া হয়েছে তিন স্তরের বাড়তি নিরাপত্তা পরীক্ষামূলক ভাবে বাংলাদেশের রেল ইঞ্জিন ভারতে পাঠাবে আজ কাউন্সিলর পদ চলে যেতে পারে ইরফান সেলিম এর বাংলাদেশে দরিদ্রসীমার নিচে মানুষের সংখ্যা কমলেও, গৃহহীন মানুষের সংখ্যা এখন ও কমেনি
করোনাভাইরাস প্রবেশ ঠেকাতে সৌদি সরকার ওমরাহ ভিসা বন্ধ করে দিয়েছে। – প্রথম বেলা

করোনাভাইরাস প্রবেশ ঠেকাতে সৌদি সরকার ওমরাহ ভিসা বন্ধ করে দিয়েছে।

সৌদি সরকারের আকস্মিক এ সিদ্ধান্তে ক্ষতির মুখে পড়েছেন এজেন্সি ও ওমরাহ যাত্রীরা। ভিসা ফি, হোটেল ও বিমান ভাড়া বাবদ এ ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫০ কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন এজেন্সি মালিকরা।

তারা বলেন, ওমরাহর জন্য ভিসা ফি পুরোটাই চলে যায় সৌদি সরকারের তহবিলে, এ অর্থ ফেরত আনার কোনো সুযোগ নেই। হোটেল ভাড়াও ফেরত পাওয়া যাবে না। বিমান ভাড়ারও বড় একটি অংশ ফেরত পাওয়া যাবে না।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের ভয়ে ওমরাহ যাত্রী ও মসজিদে নববী ভ্রমণকারীদের জন্য সৌদি প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়।

হজ এজেন্সি মালিকদের সংগঠনের (হাব) সভাপতি এম তসলিম হোসাইন শাহাদাত বলেন, সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পৃথিবীর সব দেশের ওমরাহ ভিসা ইস্যু ও ভিজিটর ভিসা স্থগিত করেছে। তারপর থেকে ওমরাহ যাত্রী পাঠানো যাচ্ছে না। সকালে সৌদি দূতবাসের সঙ্গে কথা বলেছি। যাদের ভিসা আছে তারা যেতে পারবেন কিনা বিষয়টি অস্পষ্ট।

তিনি আরো বলেন, দশ হাজার ওমরাহ যাত্রীর সবার ভিসা হয়ে গেছে। তাদের মধ্যে পাঁচ হাজার যাত্রীর টিকিট কাটা হয়ে গেছে। ওমরাহ করার জন‌্য সৌদিতে থাকার হোটেলসহ অর্থ খরচ করে সব প্রয়োজনীয় প্রাথমিক কাজও শেষ করা হয়েছে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা আর সেদেশে ঢুকতে পারছেন না।

এজেন্সি মালিকরা জানায়, ভিসার জন্য সৌদি সরকারকে (আইবিএনের মাধ্যমে) পরিশোধ করা হয়েছে ২০ কোটি টাকা। সাধারণ ক্যারিয়ারে যে তিন হাজার টিকিট কাটা আছে সেগুলোর জন্যও আর্থিক ক্ষতি হবে। আর সেখানে যে হোটেল ভাড়া করা আছে, এজন্য মূল্য আগেই পরিশোধ করতে হয়। সব মিলিয়ে ৫০ কোটি টাকা খরচ হয়ে গেছে। ওমরাহ যাত্রীরা শেষ পর্যন্ত যেতে না পারলে এই টাকা আর ফেরত পাওয়া যাবে না। এতে ওমরাহ যাত্রীদের ক্ষতি তো হবেই, আমাদেরকেও বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে।

জানা গেছে, ভিসা ও টিকিটসহ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা সত্ত্বেও ওমরাহ যাত্রীরা সৌদি আরব যেতে পারবে কিনা এ বিষয়ে এজেন্সি মালিক, হাব নেতারা সরকারের সঙ্গে আলাপ চালিয়ে যাচ্ছেন। সৌদি দুতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছেন। শেষ পর্যন্ত যেতে না পারলে তাদের বিশাল আর্থিক ক্ষতিপুরণ নেয়া যায় কিনা সে চেষ্টাও করবেন তারা।

Read Previous

নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস্ লিঃ এর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

Read Next

মুজিববর্ষে মোদিকে অতিথি করা নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

%d bloggers like this: