শিরোনাম
মাশরাফির দুই সন্তান করোনায় আক্রান্ত-চিকিৎসা চলছে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, পৌর আ.লীগ সভাপতিকে বহিস্কার করা হল গায়ে হলুদের সাজে মাঠে-সানজিদা ইসলাম সকালের বৃষ্টিতে অফিসগামীদের ভোগান্তি রাজধানী ১১ দফা দাবিতে সারাদেশে নৌযান ধর্মঘট চলছে শুরু হচ্ছে সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ পদে কর্মরত অধ্যাপকদের চাকরি তৃতীয় গ্রেডে উন্নীত হচ্ছে এ বছর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হবে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা বিমানবন্দরের উন্নয়নে জন্য ৫৬৭ কোটি টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ভোক্তা ঋণ বাড়াতে নতুন সুযোগ করে দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধগতিতে সমস্যায় পড়ছেন মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্তরা
কালের স্বাক্ষী হয়ে টিকে আছে ৩০০ বছরের পুরনো ফুলবাড়ীর ইন্দারা – প্রথম বেলা

কালের স্বাক্ষী হয়ে টিকে আছে ৩০০ বছরের পুরনো ফুলবাড়ীর ইন্দারা

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কালের স্বাক্ষী হয়ে টিকে আছে ৩০০ বছরের পুরনো ফুলবাড়ী উপজেলার বড়ভিটা গ্রামের মানিক মিয়ার ইন্দারা। আধুনিকতার যুগে ইন্দারার প্রয়োজনীয়তা না থাকলেও ইতিহাসের স্বাক্ষী হয়ে টিকে আছে ৩০০ বছরের পুরোনো ইন্দারাটি।
মানিক মিয়ার বংশধর এর মধ্যে সবচেয়ে বয়স্ক উত্তরসুরী মো. আহাদ আলী (৮০) বলে, মানিক মিয়ার বংশধরদের মধ্যে তাদের তিন ভাই (মফিজ উদ্দিন, আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী, আহাদ আলী) এর বংশধরাই কেবল বেঁচে আছেন। তাদের তিন ভাইয়ের পিতা নৈমুদ্দিন সরকার, তার পিতা- ধনাই, তার পিতা- মনাই, তার পিতা-মানিক, তার পিতা- ঘাউয়া। পারিবারিক দলিল থেকে জানা যায় মনাই পেশায় জোরদার ছিলেন।
মনাইয়ের পিতা- মানিক এলাকাবাসীর পানির কষ্ট নিবারনের জন্য ইন্দারাটি নির্মাণ করেন। একসময় গ্রামের সকলেই এই ইন্দারা থেকে পানি তুলে ব্যবহার করত। বর্তমানে সংস্কারের অভাবে ইন্দারাটি ব্যবহারে অনুপযোগী হয়ে গেছে। সন তারিখের উল্লেখ না থাকলেও ইন্দারাটির বয়স প্রায় তিনশত অথবা সাড়ে তিনশত বছর হতে পারে। এর নির্মাণ কৌশল অন্য ইন্দারার নির্মাণ কৌশল থেকে আলাদা এর গোলাকার মুখের মাঝে বাড়তি করে ফুলের নকশায় নির্মাণ করা। গোলাকার মুখে একটি ক্রংক্রিটের বেড় দেয়া। এই বেড়ের গায়ে পানি তোলার জন্য দড়ির ঘষার অনেক রকম দাগ দেখা যায়। এই দাগ গুলো নিয়ে লোক মুখে ছড়িয়ে আছে একটি কাহিনী।
ন্যাংড়ি, (খোঁড়া) নামের এক মেয়ে  তার সৎ মায়ের আদেশে প্রতদিনি চার পাঁচ কলসী পানি তুলে কাঠের চাকা ওয়ালা গাড়ীতে করে টেনে নিয়ে যেত। ন্যাংড়ি পক্ষা ঘাতে হাটতে অক্ষম হলেও হামাগুড়ি দিয়ে চলতে পারতেন। ইন্দারার পাশে জঙ্গলে বাঘের ভয় ছিল। দাঁড়াতে পারতেন না বলে হাতের শক্তি দিয়ে অতি কষ্ঠে হাতের শক্তি দিয়ে পানির বালতী তাড়াতাড়ি টেনে তুলতে গিয়েই এই দাগ গুলোর সৃষ্টি হয়। ন্যাংড়ি দেখতে সুন্দরী ছিলেন।
পরে এলাকার এক হৃদয়বান মানুষ ন্যাংড়িকে বিয়ে করে তাকে কষ্টের হাত থেকে রক্ষা করে। ন্যাংড়িকে তিনি আর পানি তুলতে দেননি। নিজেই ইন্দারা থেকে পানি তুলে নিয়ে যেতেন। সংস্কার করলে ইন্দারাটি থেকে এখনো পানি ব্যবহার করা সম্ভব। মানিক মিয়ার বর্তমান বংশধররা সমাজে প্রতিষ্ঠিত বৃত্তশালী।
তাদের ও এলাকাবাসীর এখন আর ইন্দারাটির পানি ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় না। তবে প্রাচীন এই ইন্দারাটির স্মৃতি চিহ্ন যেন মুছে না যায় সে দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

Read Previous

গাজীপুর মহানগর কড্ডা ৫ তলা বাইতুল গাফ্ফার জামে মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন

Read Next

টঙ্গীতে লবণবাহী ট্রাক উল্টে আহত ১

%d bloggers like this: