শিরোনাম
উত্তরা বিআরটিএ অফিসে ঘুষ, দুর্নীতি, জালিয়াতি ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ – প্রথম বেলা

উত্তরা বিআরটিএ অফিসে ঘুষ, দুর্নীতি, জালিয়াতি ও অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ

ঢাকা মেট্রো-৩ সার্কেল উত্তরা বিআরটিএ অফিসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুস সালাম কি করে ১৫ কোটি টাকার বিষয় সম্পত্তির মালিক হলেন

 

এস,এম,মনির হোসেন জীবন ॥ বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) উত্তরা-তুরাগ ঢাকা মেট্রো-৩ সার্কেল অফিসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুস সালাম কি ভাবে ১৫ কোটি টাকার বিষয় সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। এছাড়া একই অফিসের মোটরযান (ড্রাইভিং) শাখার পরিদর্শক আব্দুল মান্নান সহ বিআরটিএ অফিসের কতিপয় কর্মকর্তার বিরুদ্বে সীমাহীন ঘুষ, দুর্নীতি, ব্যাপক জাল-জালিয়াতি, অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার সহ বিভিন্ন ধরনের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, উত্তরা বিআরটিএ অফিসে ঘুষ বানিজ্য এখন ওপেন সিক্রেটে পরিণত হয়েছে। বিআরটিএ অফিসকে কেন্দ্র করে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুস সালামের বিশাল একটি দালাল চক্রের সিন্ডিকেট রয়েছে। ইতি মধ্যে বিআরটিএ অফিসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুস সালাম তুরাগের ডিয়াবাড়ি নিমতলির টেক গ্রামে প্রায় ৫ কাঠা জমির উপর পাইলিং করে বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে ওই সম্পত্তির বাজার মূল্য প্রায় ৪ থেকে ৫ কোটি টাকা বলে জানা গেছে।
একটি নির্ভরযোগ্য সুত্র জানায়, চাকরীকালীন অবস্থায় ঘুষের টাকা দিয়ে তিনি বহুতল ভবণ তৈরী করছেন। ঘুষের টাকা দিয়ে তিনি রাতারাতি ভবন তৈরী কাজ শুরু করে দিয়েছেন। বিআরটিএ অফিসের একজন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা কি করে অল্প দিনে ১৪ থেকে ১৫ কোটি টাকার মালিক হয়েছেন এটি এখন দেখার বিষয় বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। জমির মালিক রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুস সালামের রয়েছে বিপুল পরিমান টাকা ব্যাংক ব্যালেন্স, কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তি, জমিজমা সহ বিষয় সম্পত্তি গড়ে তুলেন। একজন সামান্য তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারী থেকে যার চাকরী শুরু তিনি কি করে কোটি কোটি টাকার মালিক বণে গেছেন।
এছাড়া বিআরটিএ উত্তরা-তুরাগ ঢাকা মেট্রো-৩ সার্কেল অফিসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুস সালাম ও একই অফিসের মোটরযান (ড্রাইভিং) শাখার পরিদর্শক আব্দুল মান্নান সহ বিআরটিএ অফিসের কতিপয় কর্মকর্তা একটি সিন্ডিকেট তৈরী কলে লাখ লাখ টাকা কৌশলে হাতিয়ে নিচেছন বলে অভিযোগ উঠেছে। ড্রাইভিং পরীক্ষা দেওয়ার সময় এসব কর্মকর্তারা চেয়ারে বসে থাকেন আর দালাল চক্রের সদস্যরা পরীক্ষায় গ্রাহকদেরকে গাড়িতে উঠতে আর নামতে সার্বিক সহযোগিতা করেন। এসময় গ্রাকদেরকে কাছ থেকে জনপ্রতি ২শ টাকা করে আদায় করা হয়। ঘুষের টাকা ২শ আর গাড়িতে উঠতে নামতে ৫শ থেকে ১ হাজার টাকা দিয়েই ড্রাইভিং পরীক্ষায় পাস। দৈনিক প্রায় ২শ থেকে আড়াইশ গ্রাহক লোক পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে বলে উত্তরা বিআরটিএ অফিসে আসা ভুক্তভোগী লোকজন অভিযোগ করেন।


এদিকে, ঢাকা মেট্রো-৩ সার্কেল উত্তরা বিআরটি অফিসে মোটরসাইকেলের ড্রাইভিং লাইন্সেস করতে আসা আব্দুস রশিদ নামে এক ভুক্তভোগী (পেশায় আইনজীবি) এই প্রতিবেদকের কাছে অভিযোগ করে বলেন, আমি পরীক্ষা দেওয়ার ৪ মাসেও ড্রাইভিং লাইন্সেস পাইনি। ইতি মধ্যে আমার কাগজে পরপর দুইবার তারিখ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আর কবে আসল লাইন্সেস হাতে পাবো সেটিও বলতে পাচিছনা। উত্তরা,তুরাগ ও উত্তরখান এলাকা থেকে ছুটে আসা একাধিক ভুক্তভোগী গ্রাহক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এখানে ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হয়না। ’’টাকা দিলে ফাইল নড়ে’’ আর টাকা না দিয়ে ফাইল নড়ে না। উত্তরা বিআরটিএ অফিসের ইটেও বলে টাকা চাই,টাকা দে’’। আর এখানে দালাল চক্রের উৎপাত সবচেয়ে বেশি। দালালরা অফিসারদের পাশেই দাঁড়িয়ে কিংবা বসে থাকে। এভাবে সরকারী বিআরটিএ অফিস চলতে পারেনা। সরকার প্রতিবছর এই অফিস থেকে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব (আয়) হারাচেছ। আব্দুস সালামের নেতৃত্বেই উত্তরা-ডিয়াবাড়ি বিআরটিএ অফিসে ঘুষের টাকা লেনদেন ও বন্টন করা হয়ে থাকে। সেকারণে বিআরটিএ অফিসে ঘুষ,দুর্নীতি বন্ধের জন্য সরকারের নজর দেওয়া দরকার বলে ভুক্তভোগী ও সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
অনুসন্ধ্যানে জানা যায়, ঢাকা মেট্রো-৩ সার্কেল উত্তরা বিআরটি অফিসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুস সালাম দীর্ঘ প্রায় ৩ থেকে সাড়ে তিন বছর এই অফিসে চাকরী করছেন। ইতি পূর্বে এই কর্মকর্তা মিরপুর ও যশোর বিআরটিএ অফিসে কর্মরত ছিলেন। বেশ কয়েক বছর আগে যশোর অফিস থেকে বিপুল পরিমান টাকা উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত বিআরটিএ অফিসে বদলী হয়ে আসেন। এর পর তিনি মিরপুর থেকে মোটা অংকের টাকা ঘুষের বিনিময়ে ঢাকা মেট্রো-৩ সার্কেল উত্তরা- তুরাগ বিআরটি অফিসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন আব্দুস সালাম । উত্তরা বিআরটিএ অফিসে যোগদানের পর ঘুষের টাকায় বিপুল পরিমান সরকারী রাজস্ব (কর) ফাঁকি দিয়ে ৫ কাঠা জমি,বিপুল পরিমান টাকা ব্যাংক ব্যালেন্স সহ নামে বেনামে বিষয় সম্পত্তি একের পর এক ক্রয় করে যাচেছন। ইতি মধ্যে বিআরটিএ এই কর্মকর্তা ৪ থেকে ৫ কোটি টাকা মুল্যের তুরাগের ডিয়াবাড়ি এলাকায় বিপুল পরিমান সম্পত্তি ক্রয় করেন।
এদিকে, (বিআরটিএ) উত্তরা-তুরাগ ঢাকা মেট্রো-৩ সার্কেল অফিসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুস সালাম রাজধানীর তুরাগ থানার ডিয়া বাড়ি নিমতলির টেক গ্রামের বর্তমানে ঢাকা উত্তর সিটি করেপোরেশন (ডিএনসিসি) ৫৩ নম্বর ওয়ার্ড বিল্লাল বার্বুচির বাড়ির পশ্চিম পার্শে জামালের বাড়ির সাথে প্রায় ৮ দশমিক ১১ শতাংশ প্রায় (৫) কাঠা জমির উপর বহুতল ভবন নির্মাণের পাথরের ড্রেজিং ও পাইলিংয়ের নির্মান কাজ গত প্রায় এক মাস ধরে চলছে। বিআরটিএ’র এই কর্মকর্তা স্থানীয় নিমতলির টেক জামে মসজিদে সম্প্রতি সময়ে দুর্নীতি ও ঘুষের প্রায় আড়াই লাখ টাকা দিয়ে ৩টি এসি কিনে দিয়েছেন। প্রতিটি এসির মূল্য প্রায় ৮৩ হাজার টাকা করে। যুগ্ন জেলা জজ দ্বিতীয় আদালত, ঢাকা দেওয়ানী মোকদ্দমা নং-৯২৫/২০১৬ ইং। ওই দায়েরকৃত মামলার ২৬ নং-আসামী হলেন-আবদুস ছালাম, পিতা বেলায়েত হোসেন সাং-কাচিরচর থানা মুলাদি জেলা বরিশাল। এছাড়া ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল ঢাকা যুগ্ন জেলা জজ আদালতে তার নামে আরও একটি দেওয়ানী মোকদ্দমা মামলা রয়েছে। যার মামলা নং ২৫৭৯/২০১০। উক্ত দুইটি মামলা বাদী হলেন- আব্দুল খালেক গং। আবদুস ছালামের বিরুদ্বে ডিএমপি’র তুরাগ থানায় দুইটি সাধারণ ডায়েরী জিডি করা হয়। যার জিডি নং-৪৭৪। তারিখ-১০/০৯/২০১৮ ও জিডি নং-৬২৩। তারিখ- ১৬/০৫/২০১৯ ইং। জিডি দুইটি দায়ের করেন জমির মালিক আব্দুল খালেক গং। জেলা ঢাকা থানা উত্তরা নলভোগ মৌজাস্থ জমির পরিমান ৮ শতাংশ ১১ (এগার) পয়েন্ট। সিএস খতিয়ান ৯১ এসএ খতিয়ান ১৯০ আরএস খতিয়ান ১০৭, সিটি জরিপ খতিয়ান ২৫১,সিএস এসএ দাগ ৩৩৮,আরএস দাগ ৫৮৫,মহানগর দাগ ১৯১২,জমির মূল্য ৩০ হাজার টাকা। বাংলা ১৪০১ সালের ৫ ই মাঘ ইংরেজী ১৮ জানুয়ারী ১৯৯৫ ইং। উক্ত জমিটি ক্রয় করেন আবদুস ছালাম। দলিল নম্বর ৪৮৯। সাবরেজিষ্টি অফিস মিরপুর,ঢাকা।
এছাড়া (বিআরটিএ) উত্তরা-তুরাগ ঢাকা মেট্রো-৩ সার্কেল অফিসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুস সালামের নামে যুগ্ন জেলা জজ দ্বিতীয় আদালত, ঢাকা দেওয়ানী মোকদ্দমা নং-৯২৫/২০১৬ ইং রয়েছে। উক্ত মামলার হাজিরার দিনে সে অফিস ফাঁকি দিয়ে কৌশলে আদালতে হাজিরা দিয়েছেন। কিন্তু তিনি বিআরটিএ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে অফিস থেকে ছুটি কিংবা কোন ধরনের ছটির দরখাস্ত না করে অফিস না করে নিয়মিত হারে অফিস থেকে হাজিরা দেখিয়ে সরকারী বেতন কৌশলে তুলে নিচেছন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
একটি নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা যায়, যে তারিখ গুলো আবদুস ছালাম অফিস না করে আদালতে হাজিরার দিন উপস্থিত ছিলেন তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হলো-২০১৮ সালের ৮ মে, ৬ জুন, ৭ জুলাই, ৯ আগস্ট,১৩ সেপ্টেম্বর, ১১ ও ৩১ অক্টোম্বর,১৭ নভেম্বর, ২০১৯ সালের ১৭ জানুয়ারী, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৪ মার্চ, ৮ ও ১৬ এপ্রিল, ১৬ মে, ১২ জুন ২০১৯, ৪ আগষ্ট ২০১৯ প্রমুখ।
ডিয়াবাড়ি ও চন্ডালভোগ গ্রামের একাধিক বাসিন্দা ও দোকানদারা এই প্রতিবেদককে জানান, তুরাগের সোনারগাঁও জনপথ সড়কের ডিয়াবাড়ি গ্রামে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অফিসের রাস্তার দক্ষিণপাশে সরকারী পরিত্যক্ত জমিতে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার ইট দুর্নীতির টাকায় কেনা স্তপ করে রাখা হয়। ইট গুলোর মালিক বিআরটিএ কর্মকর্তা আব্দুস সালামের। ক্রয়কৃত ইটের বাজার মূর‌্য প্রায় ৬ লাখ টাকা বলে জানা গেছে।
জানা যায়, বিআরটিএ কর্মকর্তা আব্দুস সালামের সেকেন্ট ইন কমান্ড হিসেবে কাজ করছেন তুরাগের ডিয়াবাড়ি নিমতলি গ্রামের আব্দুল রাজ্জাক পিতা মৃত ইউসুফ আলী, তার দুই পুত্র মো: কবির ও শফিক। অবৈধ টাকা দিয়ে সালামের সাথে সিন্ডিকেট তৈরী করে আব্দুল রাজ্জাক বহুতল বাড়ি তৈরী করছেন। বর্তমানে দ্বিতীয় তলা বাড়ির ছাঁদের নির্মাণ কাজ চলছে। এদিকে, ঢাকা মেট্রো-৩ সার্কেল অফিসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুস সালাম তার নামে-বেনামে,স্ত্রী সন্তান,ভাই ও আতœীয় স্বজনদের নামে অন্যত্র বিপুল পরিমান সম্পত্তি,ব্যাংক ব্যালেন্স রয়েছে বলে জানা যায়। দামী একটি প্রাইভেটকার চলাচল করে তার পরিবার। বর্তমানে রাজধানীর অভিজাত এলাকা উত্তরার একটি বিলাশবহুল বাড়িতে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন বিআরটিএ এই কর্মকর্তা।
একটি সুত্রে জানা যায়, (বিআরটিএ) উত্তরা-তুরাগ ঢাকা মেট্রো-৩ সার্কেল অফিসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুস সালাম ঘুষের টাকা লেনদেহ হয় তার একান্ত সহযোগী আব্দুল রাজ্জাকের বাসায়। রাজ্জাকের মাধ্যমে প্রায় ৫ কাছা জমি ক্রয় করেছেন বিআরটিএ কর্মকর্তা আব্দুস সালাম। জমির দলির করার সময় বিপুল পরিমান সরকারী রাজস্ব (কর) ফাঁকি দিয়ে আব্দুল সালাম।
এবিষয়ে অভিযুক্ত ঢাকা মেট্রো-৩ সার্কেল অফিসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুস সালামের সাথে আজ মঙ্গলবার সকালে মেঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সে এই প্রতিবেদককে বলেন, আমার নামে তুরাগের স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল খালেক আদালতে দুইটি (জমিসংক্রান্ত বিষয়ে) মামলা দায়ের করেছেন। এছাড়া তিনি আমার বিরুদ্বে তুরাগ থানায় আরও দুইটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেছেন। মামলা আদালতে চলমান আছে।
সরকারী (রাজউকের) খালি জায়গা জবর দখল করে ৪০ থেকে ৫০ হাজার ইট স্তুপ করে রেখেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুস সালাম এই প্রতিবেদককে বলেন, ইটাগুলো আমার নয়,হাবিব নামে জৈনিক ব্যক্তি রেখেন। পরবর্তীতে সালাম ইট গুলো সালামের বলে স্বীকার ও করেছেন।
তুরাগে দুর্নীতি ও ঘুষের টাকায় বহুতল ভবন নির্মানে পাইলিংয়ের কাজ শুরু করেছে- এবং অবৈধ টাকা উপার্জনের উৎস কি ? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এটি আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এবিষয়ে আমি আপনার সাথে কোন কথা বলবো না। এই বলে মেঠোফোনের লাইন কেটে দেন সহকারী র্জাস্ব কর্মকর্তা আব্দুস সালাম।
এব্যাপারে ভুক্তভোগী জমির মালিক আব্দুল খালেক ও তার পরিবারের সদস্যরা প্রতিকার চেয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, স্বরাষ্টমন্ত্রী, ডিএমপি’র পুলিশ কমিশনার, এলিট ফোর্স র‌্যাব ডিজি, বিআরটিএ চেয়ারম্যান ও দুদক চেয়ারম্যান সহ সরকারের সংশ্লিষ্ঠ বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসি।

0 Reviews

Write a Review

Read Previous

নাঙ্গলকোটে বয়স্ক,বিধবা প্রতিবন্ধীদের মাঝে ভাতার বই বিতরণ

Read Next

পাট চাষ করে হতাশ ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষক

%d bloggers like this: