শিরোনাম
প্রবাসে স্বামী, দেশে স্ত্রীর পরকিয়া, পরিবার বাধাঁ দেওয়ায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি! – প্রথম বেলা

প্রবাসে স্বামী, দেশে স্ত্রীর পরকিয়া, পরিবার বাধাঁ দেওয়ায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি!

এস এম জহিরুল ইসলাম: ভাগ্য বদলের লক্ষ্যে প্রবাসে পাড়ি দিয়েছিলেন শরীয়তপুরের জাজিরা থানার উকিলমুন্সি কান্দি গ্রামের আসু মাদবরের ছেলে শাহ আলম মাদবর। জীবনের পরম অধ্যায় ত্যাগ করে প্রবাসে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। পরিবার-পরিজন, আত্মীয় স্বজনসহ সকলকেই সুখে রাখার চিন্তায় প্রবাসে পাড়ি। প্রবাসে থাকা মানেই অনেকেই ভাবেন আলাদিনের চেরাগ। অথচ, কত দু:খ কষ্ট, নির্ঘুম রাত কাটে প্রবাসীদের এটা তারা বুজতে চান না। এরকম দু:খ করে কথা বলছিলেন এক প্রবাসী। কিন্তু প্রবাসীরা ভাগ্য বদলের অনেক দু:খের বোজা নিয়ে আসেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে স¤প্রতি সময়ে প্রবাসীরা দেশে ফেরে দেখেন তাদের বউ নেই অর্থও নেই। সুখের সাজানো সংসার ভেঙ্গে অন্যের হাত ধরে পরকীয়া করে পালিয়ে যাচ্ছেন অনেকেই। অহরহ ঘটছে এরকম ঘটনা। দিনের পর দিন ঘটনা ঘটলেও মামলা, অভিযোগ হলেও সেই সংসার অনেক ক্ষেত্রে ভেঙ্গে যাচ্ছে। কখনো কখনো সন্তানদের মুখের দিকে চেয়ে শেষ জীবনে এসেও সুখটা হারাচ্ছেন প্রবাসীরা। প্রবাস থেকে পাঠানো স্বামীর কষ্টার্জিত টাকা পয়সা দিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের সাথে সু-কৌশলে নিত্যদিন ফুর্তি করতো শাহ আলম মাদবরের স্ত্রী ডলি আক্তার।

অন্য কোথাও নয় স্বামী প্রবাসে থাকায় সুযোগটি কাজে লাগিয়েছেন তাঁর স্ত্রী। নিজ বাড়িতে প্রতিরাতেই পরকীয়া প্রেমিকের সাথে দৈহিক সম্পর্কে জড়িয়ে যেত ডলি। শাহ আলমের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে তার নাম সামিরুল ইসলাম সায়েম (০৪) । বাড়িতে শুশুর-শাশুড়ি না থাকার সুযোগে রাতের বেলা অপকর্মে জড়িয়ে পড়তো শাহ আলমের স্ত্রী। অবশেষে ছেলের চোখে ধরা পড়ে গেল আপত্তিকর অবস্থায় তার মা। বেড়িয়ে এলো মায়ের কুকির্তী। হঠাৎ রাতের বেলা সন্তান জেগে গিয়ে সবদেখে মা’কে প্রশ্ন করলো কি করছো মা? সন্তান ছোট থাকায় কিছুই বুঝতে পারেনি এমন ধারণায় তাঁর মা ডলি বললো ঘরে চোর এসেছে তুমি কাঁথা দিয়ে মুখ ডেকে ঘুমিয়ে থাক। তা না হলে তুমার গলা কেটে নিবে বলে ভয় দেখায়। পরেরদিন সকালে সাইম তার পাশের বাড়ির দাদিকে জানায় তাদের ঘরে রাতে চোর প্রবেশ করেছিল। তার দাদি প্রশ্ন করলো তোমাদের ঘর থেকে চোর কি চুরি করেছে? এমন প্রশ্নে সিয়াম উওর দিল; না দাদি কিছু চুরি করেনি! চোর শুধু মা’য়ের সাথে শুয়ে ছিল। এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে রাতে পালিয়ে যেতে চাই ডলি। কিন্তু শুশুরবাড়ির মানুষ দেখে ফেললে আর পালাতে পারেনি।

সারারাত পাহাড়া দিয়ে স্থানীয়দের সহযোগীতায় সকালে মিমাংসা করার চেষ্টা করে সুশিল সমাজ। পরে স্বামী শাহ আলম মাদবরকে (৩০ এপ্রিল ২০১৯) ইং তালাক দিয়ে একই এলাকার পরকীয়া প্রেমিক শাহজুল মাদবরের বাড়িতে উঠে ডলি। কিন্তু সে বাড়িতে ঠাঁয় হয়নি ডলির। একই থানার বোয়ালীয়া গ্রামের হুমায়ূন মীরবলের মেয়ে ডলি। অবশেষে বাবার বাড়িতে চলে যায় ডলি। এর কয়েকদিন পর (১৫ মে ২০১৯) ইং হাসপাতাল থেকে অসাধু কর্মকর্তার মাধ্যমে মিথ্যা একটি সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে প্রবাসে থাকা স্বামী শাহ আলম মাদবর ও তার পরিবারের সদস্যদের অভিযুক্ত করে (১৭ মে ২০১৯) ইং শরীয়তপুর জেলা আদালতে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন। এতে হয়রানির শিকার হয়ে শাহ আলম মাদববের পরিবার নিত্যদিন হুমকির মুখে। এলাকার সুশিল সমাজ ও স্থানীয়দের প্রশ্ন; প্রবাসে থেকে কি করে একজন স্বামী তার বাংলাদেশে থাকা স্ত্রীকে নির্যাতন করে? ওই এলাকার সচেতন মহলের দাবি ঘটনা সুষ্ঠ তদন্ত করে নিরিহ পরিবারের মামলা দ্রæত প্রত্যাহার করা হোক।

0 Reviews

Write a Review

Read Previous

শ্রীপুরে জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত দুই

Read Next

ইতালি আওয়ামী লীগ নেতাদের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল

%d bloggers like this: