শিরোনাম
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা – প্রথম বেলা

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

বিশেষ প্রতিনিধী :  শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শুক্রবার সকাল ৭টায় তাঁরা পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে হাজার হাজার মানুষ শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এ ছাড়া সর্বস্তরের সাধারণ মানুষেরও প্রচুর সমাগম রয়েছে।

বাঙালি জাতির ইতিহাসের বেদনাঘন সেই দিন আজ ১৪ ডিসেম্বর। পাকিস্তানি ঘাতকেরা চেয়েছিল বাঙালিকে মেধা-মননশূন্য করতে। এ জন্য তারা বেছে বেছে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, দার্শনিক ও সংস্কৃতিক্ষেত্রের অগ্রগণ্য মানুষদের বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। শোকার্ত ও সশ্রদ্ধচিত্তে জাতি আজ স্মরণ করবে অধ্যাপক জি সি দেব, মুনীর চৌধুরী, জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, ড. মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, রাশেদুল হাসান, ড. আনোয়ার পাশা, সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেন, শহীদুল্লা কায়সার, নিজামউদ্দীন আহমেদ, গিয়াসউদ্দিন আহমদ, ডা. ফজলে রাব্বি, ডা. আলীম চৌধুরী, সাংবাদিক সেলিনা পারভীনসহ সব শহীদ বুদ্ধিজীবীকে।

আজ স্বজনদের স্মরণ করতে মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে এসেছেন শহীদদের পরিবারের সদস্যরা। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপি জামায়াতকে আবার পুনর্বাসনের সুযোগ করে দিয়েছে এবারের নির্বাচনে—এই অভিযোগ করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন একাত্তরের শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. আলীম চৌধুরীর মেয়ে ডা. নুজহাত চৌধুরীসহ শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সন্তানেরা।

তাঁরা বলেন, এখন জামাতের নিবন্ধন নেই, তবে বিএনপি এবার তাঁদের ধানের শীষ প্রতীক দিয়ে জামায়াতের নেতাদের, চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী যাদের ফাঁসি হয়েছে, তাদের সন্তানদের ধানের শীষ প্রতীক দিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। এটা ঔদ্ধত্য দেখানো হয়েছে। এর জবাব দিতে পারি আমরা সবাই। সবচেয়ে বড় জবাব দিতে পারবে জনগণ। এই যে ভোট আসছে, তারা যেন যুদ্ধাপরাধীদের প্রত্যাখ্যান করে।

মহান মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয়ের মাত্র দুই দিন আগে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়েছিল পাকিস্তানি ঘাতকেরা। রাজাকার-আলবদরদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ঘাতকেরা বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল বুদ্ধিজীবীদের। বিজয় অর্জনের পরে রায়েরবাজারের পরিত্যক্ত ইটখোলা, মিরপুরসহ বিভিন্ন বধ্যভূমিতে একে একে পাওয়া যায় হাত-পা-চোখ বাঁধা দেশের খ্যাতিমান বুদ্ধিজীবীদের ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ।

0 Reviews

Write a Review

Read Previous

ফকিরাপুল প্রেস থেকে বিএনপি প্রার্থীদের পোস্টার লুট!

Read Next

রাঙ্গুনিয়ায় নবনির্মিত শহীদ মিনার উদ্বোধন ও শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উদযাপিত

%d bloggers like this: