শিরোনাম
হঠাৎ করেই চাঁদাবাজি বন্ধ শ্রীপুরের আঞ্চলিক সড়কগুলোতে – প্রথম বেলা

হঠাৎ করেই চাঁদাবাজি বন্ধ শ্রীপুরের আঞ্চলিক সড়কগুলোতে

মোঃ জসিম উদ্দিন : গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার যে সকল আঞ্চলিক সড়কের মোড়ে মোড়ে চাঁদা আদায় করা হয়েছিল, হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে গেলো চাঁদাবাজি। ঐ সকল সড়কে চলাচল কারী হালকা যানবাহন থেকে শুরু করে ভারী যানবাহনের কাছ থেকে প্রতি মাসে প্রায় ১৫-২০ লাখ টাকা আদায় করা হতো। সবাই ভুক্তভোগী, কিন্তু মুখ খোলার সাহস কারো ছিল না।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ সব চাঁদা পরিবহনের সাথে জড়িত শ্রমিকদের কোন কল্যানে আসছিল না। অনেক শ্রমিক মনে করেছিলেন চাঁদার অর্থ সরকারের কোন ফান্ডে হয়ত জমা হয়েছে। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, এ বিপুল অর্থ যা রিক্সা চালাক, ভ্যান চালক, অটোরিক্সা চালক, সি.এন.জি চালাক অতি দরিদ্র সামান্য আয়ের মানুষের রক্তের কামাই অর্থ কোথায়, কি ভাবে, কেমন করে গেল কেউ বলতে পারে না। শ্রীপুর পৌর কর্তৃপক্ষ যানবাহন ভেদে স্ট্যান্ড ইজারা দিয়ে রশিদের মাধ্যমে এ সব চাঁদা হাতিয়ে নিয়েছিল।

সূত্রমতে, পৌরসভার থেকে কোন নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড নেই পৌর এলাকায় শ্রমিক রাজনীতির সাথে জড়িতরা এলাকা ভেদে এসব চাঁদা আদায় করেছিল। চাঁদা দিতে হত শ্রীপুর রেল গেইট, শ্রীপুর চৌরাস্তা, মাওনা চৌরাস্তা, ওয়াবদা মোড়, মাষ্টার বাড়ী বাজার, নয়নপুর বাজার, জৈনাবাজার, বরমীসহ সকল চৌরাস্তা ও বাজার। দরিদ্র এই রিক্সাচালক, ভ্যানচালক, অটোরিক্সাচালক, সিএনজিচালকের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এ বিপুল অঙ্কের টাকা কোথায় কিভাবে খরচ করল তার কোনও হদিস নেই।

ব্যাটারীচালিত অটোরিক্সা চালক বাবুল মিয়া প্রথম বেলাকে জানান, এক সপ্তাহ যাবৎ চাঁদা নিতে কাউকে দেখা যাচ্ছে না। ব্যাপারটি বেশ রোমাঞ্চ সৃষ্টি করেছে চালকদের মনে।

বিভিন্ন যানবাহনের চালকরা বলেন, যখনই ইকবাল হোসেন সবুজ মনোনয়ন পেয়ে গেছেন তখনই চাঁদাবাজী বন্ধ হয়ে গেছে। কি এক জাদু নিয়ে এলো আমাদের ইকবাল হোসেন সবুজ ভাই। তবে এ অবস্থা সাময়িক সময়ের জন্য কি না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে তাদের মনে। নির্বাচন শেষে পূর্বের মতো পুনরায় চাঁদাবাজি শুরু হতে পারে বলে ধারণা করছেন তাদের অনেকেই।

0 Reviews

Write a Review

Read Previous

চট্টগ্রামে জাতীয় বধির দিবস উদযাপন উপলক্ষে স্বাগত র‌্যালি

Read Next

রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্টস ফোরামের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

%d bloggers like this: