ভারতকে হারিয়ে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ

স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট : এক গোলে পিছিয়ে থেকে প্রত্যাবর্তনের অনেক গল্পই লিখেছে বাংলাদেশ। এই ভারতের কাছেই একবার তিন গোলে পিছিয়ে থেকে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের ইতিহাস রচনা করেছিল জাফর-সুফিলরা। তাদেরই শিষ্যরা এবার সাফ টুর্নামেন্টে তেমনই ঘটনা ঘটিয়ে দিয়ে শুধু ম্যাচই জিতেনি চলে গেছে ফাইনালেও।

নেপালের বৃহস্পতিবার (১ নভেম্বর) অনূর্ধ্ব-১৫ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম সেমি ফাইনালের ম্যাচে ভারতের সঙ্গে নামে বাংলাদেশের যুবারা। পুরো ম্যাচে ১-১ ড্রয়ের পর পেনাল্টি শ্যুটআউটে ৫-৩ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে ‍মাসুদ আনোয়ার পারভেজের শিষ্যরা। সবশেষ ২০১৫ সালে এই টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন ছিল লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।

এর আগে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে মালদ্বীপকে ৯-০ ব্যবধানে ও দ্বিতীয় ম্যাচে আয়োজক দেশ নেপালকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে সেমি ফাইনাল নিশ্চিত করা বাংলাদেশ ভারতকে সেমি ফাইনালে হারালো ৫-৩ ব্যবধানে।

শেষ দুই লড়াইয়ে নামা ভারতকে হারানো সহজ ছিল না মোটেও। ১৭ মিনিটেই বাংলাদেশকে চমকে দেয় ভারত। দূরপাল্লার শটে গোলবারের একেবারে কোনা দিয়ে বল জালে জড়ালে ভারত এগিয়ে যায়। প্রথমার্ধ ও দ্বিতীয়ার্ধেও কোনও গোলের দেখা পাচ্ছিল না কিশোররা। ম্যাচ তখন রেফারির শেষ বাঁশির অপেক্ষায় ক্ষণ গুনছে। নির্ধারিত ম্যাচের যোগ করা সময়ে সমতায় ফেরে মেহেদী-উচ্ছ্বাসরা। ডি বক্সের ভেতরে ফাউল আদায় করে পেনাল্টি থেকে সমতায় ফিরে বাংলাদেশ।

১-১ ব্যবধানে শেষ হওয়া ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টি শ্যুটআউটে। সেখানে দুটি শট থামিয়ে দেয় লাল-সবুজদের গোলরক্ষক। অন্যদিকে দেশের কিশোররা কোন সুযোগ নষ্ট না করে ম্যাচ পকেটে পুড়ে নেয়।

এ জয়ে আরেকবার ফাইনালে পৌঁছালো আনোয়ার পারভেজের শিষ্যরা। যদিও সেমির আশা করে সাফ ফুটবলে মাত্র আড়াই মাসের প্রস্তুতি নিয়ে গিয়েছিল ফুটবলররা। তবে, টুর্নামেন্টে নেমেই যেন চমকের পর চমকের জন্ম দিয়ে গেছে তারা। নেপালকেও ১০ জন হয়েও হারিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। সামনে আর একটা ম্যাচ। তাতেই শিরোপা পুনরুদ্ধারের গল্প লিখতে যাবে মেহেদী-আতিক-উচ্ছ্বাসরা।

Read Previous

ঐক্যফ্রন্টকে প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণ

Read Next

নতুন দিনের কারাগার পেল ফেনী

%d bloggers like this: